শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৌদি বাদশা সালমান আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের উপর ন্যাক্কারনজক ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

সৌদি বাদশা সালমান আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের উপর ন্যাক্কারনজক ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

মুসলমানদের পবিত্র স্থান মক্কা ও মদিনার দুই প্রধান মসজিদের সংরক্ষক সৌদি বাদশা সালমান আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের উপর ন্যাক্কারনজক ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। মসজিদুল আল-আকসাও মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।
বাদশা সালমান এই ঘটনার পরে টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওঁলাদ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সাথে কথা বলেছেন। বাদশা তাদের সাথে কথা বলে ইসরাইলি হামলার ব্যাপারে তার উদ্বেগের কথা জানান। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সীর বরাত দিয়ে বলা হয়, বাদশা সালমান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরী বৈঠক আহ্বান করেছেন আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলি হামলা বন্ধে তড়িৎ পদক্ষেপ নেওয়ার জন। তিনি প্যালেস্টাইনি জনগণ, পবিত্র নগরী জেরুজালেমকে রক্ষা এবং প্যালেস্টাইনী জনগণের স্বাধীনতা মেনে নেওয়ার জন্য ইসরাইলকে চাপ দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান।
বাদশা সালমান বলেন, ইসরাইলি এই হামলার জন্য ধর্মীয় পবিত্রতা নষ্টের পাশাপাশি ধর্মীয় উগ্রবাদীদেরও উৎসাহিত করা হচ্ছে যা বর্তমান বিশ্বকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সৌদি সরকার এই জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদে হামলার জন্য ইসরাইলি আগ্রাসনকে দায়ী করে বলেন, এর জন্য ইসরাইলকে দায়দায়িত্ব নিতে হবে।

তারা ইসরাইলকে সর্তক করে বলে ইসরাইলি আগ্রাসনের কারনে মুসলমানদের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। এই ধরনের হামলা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। সৌদি এক কর্মকর্তা সর্তক করে দিয়ে বলেন জায়ানবাদী রাষ্ট্রের এ ধরনের নিপীড়নমূলক কাজের জন্য এই পুরো অঞ্চলেই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সেই কর্মকর্তা আল-আকসা মসজিদকে প্যালেস্টাইন থেকে আলাদা করার জন্য ইসরাইল চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন। প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সৌদি বাদশাকে এই সপ্তাহে আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলি হামলার বিষয়ে অবহিত করেন। তিনি এও জানান যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে তিনি পবিত্র মসজিদ রক্ষার জন্য আহ্বানও জানিয়েছেন।
এই সপ্তাহে ইসরাইলি পুলিশ আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ঢুকে হামলা চালায়। হামলার পরে পুরো আরব বিশ্বে ঐ হামলায় ইসরাইলের প্রতি নিন্দার ঝড় উঠে। মসজিদে হামলার পরে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Muslim boy arrested over clock invited to White House

Muslim boy arrested over clock invited to White House

Muslim boy arrested over clock invited to White House Obama invite comes after Texas boy was arrested after his homemade clock was mistaken for a bomb by teachers and police. The arrest prompted outrage with thousands expressing their anger at authorities for arresting the boy over his school project [AP] US President Barack Obama has issued a White House invitation to a Muslim schoolboy who was arrested for bringing a homemade clock to school.Ninth-grade high school student Ahmed Mohamed from Irving, Texas, was arrested on Monday after his teachers reported him to the police for making a clock, which they said resembled a bomb. The arrest prompted outrage with thousands expressing their anger at authorities for arresting a 14-year-old boy over his school project. Social media users rallied behind the teen using the hashtag #IStandWithAhmed, which has picked up more than 500,000 mentions on Twitter so far, according to analytics site Topsy, and continues to rise rapidly. The story also ranked highest on the user-generated curation website, Reddit. Police have said they will not charge Mohamed but he told reporters on Wednesday that he remains suspended from school until Thursday. Many of the comments cited Mohamed's religious and ethnic background as the probable cause of his arrest, a viewpoint shared by the largest Muslim civil advocacy group in the US. Ibrahim Hooper, the spokesman for the Council on American-Islamic Relations (CAIR), told Al Jazeera that it was "obvious" the school boy's religion had played a role in his arrest. "We believe the arrest would not have occurred if the student had not been Muslim ... the school's reaction and that of the police stems from the fact that he is a Muslim," Hooper said. "It is a symptom of growing Islamophobia that a 14-year-old was handcuffed and dragged away for doing a science project." Widespread support Mohamed, who is of Sudanese background, drew support from a number of high profile African-American personalities including talk-show host Montel Williams and rapper Talib Kweli Greene. In a Facebook post, Williams suggested previous anti-Islamic statements made by Irving's mayor, Beth Van Duyne, had played a role in stirring up anti-Muslim sentiment in the area. "She [Van Duyne] bought into a conspiracy theory that what is actually a faith-based voluntary mediation panel ... was some sort of attempt to impose Sharia law. She's now become a hero of the paranoid far right," Williams wrote. As the hashtag spread on Twitter a number of NASA scientists gave their backing to Mohamed, including astronaut Chris Hadfield, and systems engineer Bobak Ferdowsi. Ferdowsi said a similar incident could have put him off working for NASA.
আগামী ১০ বছরের মধ্যেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে ছাপিয়ে যাবে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে ইসরো।

আগামী ১০ বছরের মধ্যেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে ছাপিয়ে যাবে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে ইসরো।

আগামী ১০ বছরের মধ্যেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে ছাপিয়ে যাবে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে ইসরো। শুধু তাই নয়, আগামী দশকে বিশ্বের মহাকাশ গবেষণায় ভারতই হবে প্রধান বাদশা, এমনই দাবি করেছে দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। প্রতি বছর ভারতের জিডিপি যেমন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইসরোর জন্য বরাদ্দ। ২০১৫-১৬ সালে ইসরোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৩.৯ বিলিয়ন টাকা(১.২ বিলিয়ন ডলার)। যেখানে অর্থনৈতিক দিক থেকে সহস্র যোজন এগিয়ে থাকা আমেরিকা নাসার জন্য বরাদ্দ করেছে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার। যদিও গোটা বিশ্বই আজ এক কথায় স্বীকার করে, ইসরোর চেয়ে কম খরচে এতবার সাফল্যমণ্ডিত মহাকাশ অভিযান কেউ করতে পারেনি। জেনে রাখা ভাল, ইসরো আজ পর্যন্ত তাদের বরাদ্দ পুরো টাকা খরচ করে ওঠার আগেই সাফল্যের সঙ্গে ‘মিশন সাকসেসফুল’ করেছে। কিন্তু এ জন্য মোটেও ইসরোকে নাসার চেয়েও এগিয়ে রাখা হচ্ছে না। যে কারণে মনে করা হচ্ছে, নাসাকে ছাপিয়ে যেতে পারে ইসরো, সে কারণগুলোকে তুলে ধরেছে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। সে কারণগুলো হলো: ১. শুক্রগ্রহ অভিযান:মঙ্গলের পর ইসরোর বিজ্ঞানীদের পরবর্তী গন্তব্য শুক্র। আগামী চার বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৯ সালেই শুক্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারে ইসরোর মহাকাশযান। পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলের অ্যাডভান্সড মডেলটি রকেটটি ভারতীয় উপগ্রহকে কাঁধে চাপিয়ে শুক্রে নিয়ে যেতে পারে। আর যে উপগ্রহটি শুক্রে পাঠানো হবে তা অনেকটা পৃথিবীর চারপাশে চক্কর কাটছে যে RISAT-1, তার মত হতে পারে। ২. পুনর্ব্যবহারযোগ্য লঞ্চ ভেহিকেল তৈরি: কম খরচে মহাকাশ গবেষণায় দিশারী হতে চলেছে ইসরো। আর কয়েকদিনের মধ্যেই ‘টু স্টেট টু অরবিট’ বা Two-State-To-Orbit (TSTO) তৈরির কাজ সেরে ফেলবে ইসরো। এটি এক ধরনের রি-ইউজেবল লঞ্চ ভেহিকেল। অর্থাৎ একবার উৎক্ষেপণ করেই এর কাজ ফুরোবে না। ফের এর মাধ্যমে মহাকাশে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা যাবে। এর সাহায্যে ছোঁড়া যাবে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ৩. মহাকাশে মনুষ্যবাহিত জিএসএলভি ৩ রকেট উৎক্ষেপণ: ইতিমধ্যেই ইসরো তৈরি করে ফেলেছে নেক্সট জেনারেশন জিএসএলভি, নাম GSLV Mark III, অন্তত ৫০০০ কিলো ওজন মহাকাশে বয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম এই রকেট। গত বছরের ডিসেম্বরের সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র থেকে সাফল্যের সঙ্গে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল রকেটটি। ৪. আদিত্য, সান-স্পেস মিশন: ২০১৭ সালের মধ্যে ইসরো শুরু করতে চলেছে তাদের প্রথম সূর্যাভিযান। নাম আদিত্য। মাত্র ৪৯ কোটি টাকা বাজেটের এই আদিত্য ১ হতে চলেছে বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক সূর্যাভিযান। সূর্যের করোনা নিয়ে গবেষণা চালাবে এই যান। ৫. চন্দ্রায়ণ ২, মুন মিশন: ভারতীয় সূত্র ও ডিফেন্স নিউজের প্রতিবেদন মোতাবেক, ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযান ‘চন্দ্রায়ন ১’ -এর মাধ্যমেই গোটা দুনিয়া প্রথম জানতে পেরেছিল চাঁদে জল রয়েছে। চন্দ্রায়নের সাফল্যের পর ফের চাঁদে বড়সড় এক মিশন শুরু করছে ইসরো। এই মিশনে চাঁদের মাটিতে নাসার ‘রোভার’-এর থেকেও বেশদিন কাটাবে ও ছবি তুলবে, নমুনা পরীক্ষা করবে। 
সুখবর ! সুখবর ! সুখবর !!!

সুখবর ! সুখবর ! সুখবর !!!

ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্টার গ্রাহকদের জন্য গ্রামীণ ফোনের সুখবর।  গ্রাহকদের জন্য উপহার নিয়ে এসেছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন।
ভিন্ন ভিন্ন রিচার্জে ভিন্ন ভিন্ন উপহার দিচ্ছে কোম্পানিটি।
গ্রামীণফোন সূত্রে জানা গেছে, শুধু স্টার গ্রাহকরা ৩৯৯, ৪৯৯ এবং ৫৯৯ টাকা রিচার্জ করলেই পাবেন ঈদ উপহার।  ৫৯৯ টাকা রিচার্জে ১টি টি-শার্ট, ৪৯৯ টাকা রিচার্জে ১টি জায়নামাজ এবং ৩৯৯ টাকা রিচার্জে ১টি মগ।
এ সুযোগ ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত (স্টক থাকা সাপেক্ষে)। ১৮টি গ্রামীণফোন সেন্টারে নির্দিষ্ট পরিমাণ রিচার্জ করলেই আকর্ষণীয় উপহার দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন:ওবায়দুল কাদের।

নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন:ওবায়দুল কাদের।

১৬ সেপ্টেম্বর- নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রাজনীতিবিদদের মতো ‘হাইব্রিড’ সাংবাদিক তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে ওইসব সাংবাদিকরা যেন মূল ধারার সাংবাদিকদের কোণঠাসা করে ফেলতে না পারে সে বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি। বুধবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন ও গণমাধ্যম শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন এক সময়ের সাংবাদিক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “হাইব্রিড শুধু এখন রাজনীতিতে নয়, হাইব্রিড এখন সাংবাদিকতায়ও। শুধু মফস্বলে নয়, ঢাকায়ও আছে। “পরিচয়পত্র লাগিয়ে ঘুরঘুর করছে, খুব ব্যস্ত। বলি, আরে কি ব্যাপার, এত ব্যস্ততা কীসের? বলে, আমি সাংবাদিক। আই অ্যাম অ্য জার্নালিস্ট- খুব ভাব নিয়ে বলে।” “তো জার্নালিস্ট কোন কাগজে আছেন? কোন মিডিয়ায় আছেন? বলে, ফ্রিল্যান্স। এ রকম অনেক সাংবাদিকই আছে। মফস্বলে খবর নেন অনেকে ডিসি-এসপির অফিসে বসে থাকে। আমি কিন্তু সাংবাদিক কমিউনিটির উপর অ্যাটাক করছি না। এই কমিউনিটির উপর কেউ অ্যাটাক করলে আমি তা মেনেও নেব না।” সাংবাদিকতার নামে হাইব্রিড সাংবাদিকতা চলছে মন্তব্য করে কাদের। তিনি বলেন, “হাইব্রিড রাজনীতিতেও চলছে। বিলবোর্ড দেখলে মনে হয় বঙ্গবন্ধুর একটা ছবির সঙ্গে ৩৭টা ছবি। এরা কারা? কোত্থেকে এল এরা? বাংলাদেশ এখন নেতা উৎপাদনের কারখানা।” বাংলাদেশকে সাংবাদিক উৎপাদনেরও কারখানা হিসাবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিদিন নতুন নতুন সাংবাদিক দেখি। কোত্থেকে আসল? যারা রিয়েল জার্নালিস্ট, কষ্ট করেন, লেখাপড়া করেন, তাদের এসব সাংবাদিক (ভুয়া) দেখলে খারাপ লাগে; যেমন আমাদের পলিটিশিয়ানদের হাইব্রিড দেখলে খারাপ লাগে।” হাইব্রিড সাংবাদিকরা ভাল সাংবাদিকদের যেন কোণঠাসা করে ফেলতে না পারে সে বিষয়ে কর্মশালায় অংশ নেওয়া সাংবাদিকসহ উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। সাংবাদিকদের সমালোচনার সময় বামে বসা প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্ট ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে কাদের বলেন, “ডোন্ট মাইন্ড।” “এখন আর ভাল কথা নেই। ভাল কথার স্টক ফুরিয়ে গেছে, এখন আর গোডাউনে কোনো ভাল কথা নেই। এদেশে ভাল কাজের দৃষ্টান্ত খুব কম।” ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের আগে সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান প্রায় ৪০ মিনিট ধরে গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুল ধরে বক্তব্য দেন। নিজের বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “যেই একটা মাইক পায় ভাষণ দিতে শুরু করে।” এসময় হাসির রোল পড়ে সম্মেলন কক্ষে। মন্ত্রীও হাসতে হাসতে আবার বলেন, “মাইক পাইলেই ভাষণ দিতে শুরু করে।” সব জায়গায় বিভক্তি তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব দুইভাগ হয়ে গেছে, যা জীবনেও দুইভাগ ছিল না। সিলেটে দুইভাগ, ঘরও দুইটা হয়ে গেছে। এখানে (জাতীয় প্রেস ক্লাব) মশারির মধ্যে মশারি। রাজশাহীতে গিয়ে শুনলাম তারা চার ভাগ। “হাইব্রিড মানসিকতা বেশি করে গ্রো করেছে, ওয়াল বেশি করে উঠছে। পদ্মাব্রিজ তৈরি হচ্ছে কিন্তু আমাদের সম্প্রীতির সেতু তৈরি হচ্ছে না। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশ বিস্ময়কর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।” ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “আবারও আশা করার মতো আলোক রেখা আমি দেখলাম।” কোনো মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিব সৎ হলে ওই মন্ত্রণালয়ের ৫০ শতাংশ দুর্নীতি এমনিতেই কমে যাবে মন্তব্য করে কাদের বলেন, “আশপাশের লোক অপকর্ম করলে মন্ত্রী নিজেকে সৎ দাবি করতে পারেন না।” জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ফাইলের মান অনেক নিচুতে চলে গেছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “শুদ্ধ ফাইল খুব একটা পাই না। পড়লে আমি খুবই হতাশ হই। যারা বিসিএস কোয়ালিফাই করে এলো তাদের পড়াশোনার মান এত নিচে কী করে হয়?” সচিবালয়ে কর্মকরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিককে নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আয়োজিত দুই দিনের এই কর্মশালায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভুইঞা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, অর্থ বিভাগের জ্যেষ্ঠ মাহবুব আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আব্দুল মালেকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তব্য দেন। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এই কর্মশালা উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইকবাল সোবহান। 

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে।

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে।

১৬ সেপ্টেম্বর- কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে। কিছু কিছু স্থানে কড়াকড়ি থাকলেও বেশ কয়েকটি করিডর দিয়ে গত বছরের তুলনায় বেশি গরু এসেছে বলে জানা গেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, সারা দেশে খামারি ও সাধারণ মানুষের কাছে কোরবানির যোগ্য ৪০ লাখ হৃষ্টপুষ্ট গরু ও মহিষ আছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, এ বছর ৫০ লাখের মতো কোরবানি হতে পারে। এদিকে রাজধানী ঢাকার গরুর হাট এবং কোরবানি নিয়ে সিটি করপোরেশন ও পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার তাদের পরিকল্পনা জানিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, আগামী শনিবারের (১৯ সেপ্টেম্বর) আগে ঢাকায় গরু ঢুকতে দেওয়া হবে না। আর গরুর হাটগুলোকে তাদের চৌহদ্দির বাইরেও ছড়াতে দেওয়া হবে না। প্রতিবেশী দেশ ভারত তাদের সীমান্তে গরু ‘পাচারে’র ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করলেও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গত বছরের তুলনায় এবার বেশি ভারতীয় গরু এসেছে। গরু আসছে পূর্বের মিয়ানমার সীমান্ত দিয়েও। তবে সাতক্ষীরা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গরু কম আসছে বলে জানা গেছে। রাজশাহী কাস্টমস কমিশনারের কার্যালয়ের অধীনে ভারত থেকে গবাদিপশু আমদানির মোট আটটি করিডর রয়েছে। কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্টে উত্তরাঞ্চলের সাতটি করিডর দিয়ে ৩৬ হাজার ৩০৭টি গবাদিপশু বাংলাদেশে ঢুকেছে। এর মধ্যে গরু ২৭ হাজার। গত বছর এ সময়ে গবাদিপশু আসার সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩০৩। সুলতানগঞ্জ করিডর দিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১২ দিনে ৩ হাজার ৪০০ গরু-মহিষ ঢুকেছে। রাজশাহীর সবচেয়ে বড় গবাদিপশুর হাট হচ্ছে নগরের সিটি বাইপাস হাট। এই হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান বলেন, গত মাসেও ভারতীয় গরুর বড় চালান এসেছে শুনেছেন কিন্তু তাঁরা সেই গরু-মহিষ পাননি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা সরাসরি সুলতানগঞ্জ ও কানসাট থেকে নিয়ে চলে গেছেন। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ইসলামপুর শুল্ক করিডর দিয়ে গরু আসছে। কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৬০৭টি গরু আসে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫৫। কুড়িগ্রামের কাস্টম অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের জুলাই থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গরু এসেছে প্রায় ৬০ হাজার। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ৬৭৫। কক্সবাজারে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আগস্ট থেকে গতকাল পর্যন্ত গরু এসেছে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল সাড়ে চার হাজারের কম। বগুড়ায় এবার দেশি খামারিদের কাছ থেকে বেশি গরু পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা খন্দকার বজলুর রহমান বলেন, এবারের কোরবানির বাজার সামনে রেখে জেলার ১ হাজার ২৬১টি খামার ও কৃষকের বাড়িতে মোট ৭৬ হাজার ৮২২টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত বছর জেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার গরু এবং ৮৯ হাজার ছাগল ও ভেড়া কোরবানি হয়েছিল। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির হাটে গরু আসবে। ঢাকায় পুলিশের নির্দেশ: গতকাল কোরবানির ঈদ নিয়ে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক সভায় ডিএমপির কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ব্যবসায়ী, পরিবহন নেতারাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এবার ডিএমপির আওতার মধ্যে একটি স্থায়ীসহ ২৩টি পশুহাট বসবে। তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে পশুহাটের সংখ্যা ১৭। সভায় ডিএমপির কমিশনার আশ্বস্ত করেন, গরু হাটে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। চাঁদাবাজদের ধরার ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়সহ অন্য যেকোনো পরিচয়ই বিবেচনায় না নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় কমিশনার বলেন, এবারে গরুর হাটগুলোকে তাদের চৌহদ্দির বাইরে আসতে দেওয়া হবে না। হাটের ইজারার কাগজে উল্লেখিত নির্ধারিত সীমানার ভেতরেই হাটের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকেই হাটে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। তবে ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে ঢাকায় অস্থায়ী হাটগুলোর জন্য কোনো গরু ঢুকতে দেওয়া হবে না। হাটগুলোতে সিসি ক্যামেরা, পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থাকবে। তিনি বলেন, হাটগুলোতে প্রকাশ্য স্থানে পশু বিক্রির হাসিলের দর লিখে রাখতে হবে। আর পশু ব্যবসায়ীরা যে হাটে গরু নিতে চান, তাঁরা যেন সে হাটেই গরু নিতে পারেন, এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে পুলিশ। এ ক্ষেত্রে কোনো জবরদস্তি করা যাবে না। এমনকি বেশি টাকা পরিবহনের জন্যও পুলিশের সাহায্য নিতে পারবেন গরু ব্যবসায়ীরা। হাটের ব্যবসায়ীদের লেনদেনের সুবিধার্থে হাট এলাকার ব্যাংকগুলোতে সন্ধ্যাকালীন লেনদেনের সুবিধা থাকবে বলে সভায় জানানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে সান্ধ্য লেনদেনের সুবিধা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছিল। রাত নয়টা পর্যন্ত হাটের আশপাশের ব্যাংকগুলোতে সন্ধ্যাকালীন লেনদেন করা যাবে। সরকারি ছুটির দিনও ওই সব ব্যাংকে লেনদেন চলবে। হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণের ব্যবস্থা থাকবে। 
মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার।

মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার।

মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার। এ ছাড়া যারা আঘাতের কারণে একেবারে স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন, তাদের ১০ লাখ রিয়াল ও আহত ব্যক্তিদের ৫ লাখ রিয়াল করে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার এক ফরমানে সৌদি বাদশাহ সালমান এ ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার মসজিদুল হারামের চতুর্থ তলায় ক্রেন ভেঙে পড়লে ১১১ জন নিহত হন। এ ছাড়া আহত হয় আরো ২৩৮ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বাংগালী। দুর্ঘটনায় যারা স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন তাদেরও একই পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে। আর যারা আহত হয়েছেন তাদের ৫ লাখ রিয়াল অর্থাৎ ১ কোটি ৪ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তবে সৌদি আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করলে যে অর্থ পাওয়ার কথা, এর মধ্যে তা অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ এটি কেবল সৌদি বাদশাহর পক্ষ থেকে দেওয়া ক্ষতিপূরণ।
রাজকীয় ওই ফরমানে আরো জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিবারের দুই সদস্যকে আগামী বছর সরকারি খরচে হজ করানো হবে। এ ছাড়া যারা আহত হওয়ার কারণে এবার হজ করতে পারছেন না, তাদের আগামী বছর রাজকীয় অতিথি হিসেবে হজ করানো হবে। যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের স্বজনরা যাতে সৌদিতে এসে তাদের সঙ্গে থাকতে পারেন, সে জন্য তাদের ভিসাও প্রদান করা হবে। সূত্রঃ-ইন্টারনেট ।

দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি ।

দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি ।

চাঞ্চল্যকর খবর! দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি । এমন সংবাদের  ছোট বুড়িকে দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করছে নারীপুরুষ। তবে আসল ছোট বুড়ি নাকি নকল বুড়ি তা নিয়ে নানা প্রশ্ন পরিবারের লোকজনের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নের সালকুপা গ্রামে।
সরেজমিন শালকোপাড়া গ্রামে গিয়ে জানা যায়, শালকোপা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ মোল্লার মেয়ে  ছোট বুড়ি (৬০) মানুষিক রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯০ সালের দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোজ হয়।  দীর্ঘ ১৫ বছর তার কোন খোজ ছিল না। হঠাৎ ২০০৫ সালের দিকে পরিবারের লোকজন খবর পায় ছোট বুড়ি সদর উপজেলার ছয়াইল গ্রামে বেড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এর পর পরিবারের লোকজন  তাকে সেখান থেকে ধরে বাড়িতে আনে।  এরপর পেরিয়ে যায় ৩ বছর। হঠাৎ একদিন  ছোট বুড়ি মারা যায়। দাফন করা হয় বাড়ির পাশেই। এ পর সবাই নিশ্চিন্তে ছিল। ৭ বছর পর আবার গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে ছোট বুড়ি কে সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া এলাকার মহিষাডাঙ্গা গ্রামে দেখা গেছে এমন খবর পেয়ে তার সেজো ভাই সদর উদ্দিন মোল্লাসহ অন্যরা সেখানে যায়। এবং দেখে তার বোনের মতোই চেহারার একটি মহিলা। এর পর তারা তাকে প্রশ্ন করে তোমার বাড়ি,তোমার বাবার নাম, তোমার ভাইদের নাম কি। একে একে সে উত্তর দেয়। এর পর তাকে আবার নিজ বাড়িতে আনে সদর উদ্দিন। এ ঘটনা জানাজানির পর এলাকার নারীপুরুষ ছোট বুড়ি কে দেখার জন্য ভিড় করছে তার বাড়িতে।
ঐ গ্রামের মরিয়ম বেগম, আলেয়া খাতুন জানান, অনেকে ধারণা করছে  ছোট বুড়ির আত্মা নিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে। কিন্তু অলৌকিক কিছু ঘটেনি। আসলে আগের মরে যাওয়া ছোট বুড়ি হয়তো নকল ছিল।
ছোট বুড়ির ভাই সদর উদ্দিন মোল্লা জানান, আগে যখন তার বোন ভেবে ছোট বুড়ি কে নিয়ে আসা হয়েছিল তার সাথে নিজ বোনের হু বহু মিল ছিল। তার বোনের মতো কান কাটা-নাক টাকা ছিল যার প্রেক্ষিতে তাকে বাড়িতে আনা হয়েছিল। এক পর্যায়ে সে মারা যায় । আমরা তাদের বাড়ির পাশেই দাফণ করি। কিন্তু ৭বছর পর হঠাৎ করে আবার যখন আমরা আরেক ছোট বুড়িকে পাই তখন বুঝতে পারি এটাই আমাদের আসল বোন। তিনি আরো জানান,  বর্তমানে যে বোনটিকে পাওয়া গেছে সে মানুষিক রোগী হলেও আমাদের নাম,বাবার নাম বলতে পারে। কিন্তু আগে যাকে দাফন করা হয়েছে বুড়ি ভেবে সে কোন কথা বলতে পারতো না।
ঘোড়শাল ইউনিয়নের ১ নং ওয়াড্র্রে মেম্বর জাহিদুল ইসলাম দুদু জানান, ঘটনাটি জানার পর এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে যে ছোট বুড়িকে পাওয়া গেছে সেটিই আসল । আর যাকে আগে দাফন করা হয়েছিল সেজন নকল ছিল।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার

কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার

ঘটনাটি রাজধানী ঢাকার পূর্ব শেওড়াপাড়ার। চার থেকে পাঁচটি কুকুর নবজাতককে নিয়ে খেলছে। বাকি মানুষ নামধারীরা তা দেখছেন। এরই মধ্যে এক নারী কুকুরের মুখ থেকে কোলে তুলে নিলেন নবজাতককে, যেটি তারই মত আরেক মা ফেলে গেছেন ডাস্টবিনে। ঘটনাটি রাজধানী ঢাকার পূর্ব শেওড়াপাড়ার। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় এক নারী নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে পুরাতন বিমানবন্দর মাঠে স্থানীয় শিশুরা খেলা করছিল। এ সময় তারা দেখে ডাস্টবিন থেকে চার-পাঁচটি কুকুর কাপড়ে মোড়ানো একটি বস্তু নিয়ে খেলা করছে। কৌতুহলবশত শিশুরা এগিয়ে গিয়ে তাতে এক নবজাতককে দেখতে পায়। এরপর তারা আশেপাশের লোকদের বিষয়টি জানায়। স্থানীয়রাও ছুটে আসেন। কিন্তু সবাই দাঁড়িয়ে নবজাতক নিয়ে কুকুরের খেলা দেখছিল। এরই মধ্যে জাহানারা নামের এক নারী এগিয়ে গিয়ে নবজাতককে নিজের কোলে তুলে নেন। নবজাতকটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। এরপর আর দেরি না করে ওই নারী প্রথমে স্থানীয় আরএস হাসপাতালে, পরে আগারগাঁও শিশু হাসপাতাল ঘুরে সবশেষ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে শিশুটি সেখানকার নবজাতক ওয়ার্ডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) চিকিৎসাধীন। ঢামেক নবজাতক ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অবেদ হোসেন মোল্লা জানান, কন্যা শিশুটির বয়স এক বা দেড় দিন হবে, ওজন আড়াই কেজি। তার নাক ও ঠোঁটের ওপরের কিছু অংশ নেই। কুকুরের আঘাতে সেখানে ক্ষত হয়েছে। তিনি জানান, শিশুটির বাম হাতের দুই আঙ্গুলও ঝুলে আছে। এছাড়া শরীরেও ক্ষত হয়েছে। চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তুলতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। 
মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ

মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ

মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিমা কোম্পানি। মঙ্গলবার বিমা বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে দেশটির আরবি দৈনিক আল হায়াত। বিমা কোম্পানি দুর্ঘটনায় নিহত ১০৭ ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে মোট ৩৩ মিলিয়ন রিয়াল বা ৬৭ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করবে বিমা কোম্পানি। এই টাকার পুরোটাই হারাম শরীফ সম্প্রসারণ প্রকল্পের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ব্লাড মানি হিসাবে প্রদান করবে। এ বিষয়ে ইন্স্যুরেন্স বিশেষজ্ঞ আদহাম জাদ বলেন, সৌদি আরবে ভ্রমণকারীদের জন্য ন্যূনতম ১ লাখ রিয়াল পর্যন্ত বিমা ঝুঁকি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য বড় ধরনের আপদকালীন সময়ে তা বাড়ানো হয়। উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় মক্কার পবিত্র মসজিদ আল-হারামের উপর ভেঙে পড়ে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি বিশালাকৃতির ক্রেন। এ ঘটনায় ১০৭ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হয় ২ শতাধিক হাজী।