বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন সহজ উপায়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ান স্টপ সার্ভিসে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন সহজ উপায়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ান স্টপ সার্ভিসে।

দেশের বাইরে যেতে হলে, ইমিগ্রেশন কিংবা বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার আছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাইতে পারে। তখন কী করবেন? কোন চিন্তা নেই চলে আসুন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ান স্টপ সার্ভিসে। যেখানে আবেদন করার ০১ সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেকশনে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক শরীফুদৌলার সাথে এ নিয়ে আলাপকালে তিনি বলেন “আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে থাকি সুন্দর সেবা দেওয়ার। এখানে কখনোই কারও সাথে কোনো ধরনের হয়রানি বা দূর্ব্যবহার করা হয়না বলে সবাই এখান থেকে চমৎকার সেবা পাচ্ছে।”

কোথায় যাবেনঃ ডিএমপির সদর দপ্তরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেন্টারে সবসময় প্রস্তুত আছে একঝাঁক পুলিশ সদস্য। যারা এ সংক্রান্তে কাজগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বসবাসরত নাগরিকগণ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। ডিএমপি সদর দপ্তর, কক্ষ নং-১০৯, হেল্প লাইনঃ-
০১১৯১-০০৬৬৪৪ এবং ০২-৭১২৪০০০-২৬৩৫, ৯৯৯-২৬৩৫।

প্রদেয় সেবা সমূহঃ
    ঢাকা মেট্রোপলিটন থানা এলাকার নাগরিকগণের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ০১ (এক) সপ্তাহের মধ্যে প্রদান করা হয়।
    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’ কর্তৃক সত্যায়িত করে দেওয়া হয়।
    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রার্থীর চাহিদা মতে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে বাসায় পৌছে দেওয়া হয়।
    শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ০৯ টা হইতে বিকাল ০৫ টা পর্যন্ত সেবা প্রদান করা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হলে যা করতে হবেঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবর সাদা কাগজে আবেদন পত্রের সাথে যা যা লাগবে-
    পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি (অবশ্যই ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে।)
    বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা হতে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মুল্যমানের ট্রেজারী চালান। চালানের কোড নাম্বার (১-২২০১-০০০১-২৬৮১)।
    পাসাপোর্টের স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ঠিকানা যে কোন একটি অবশ্যই ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার অভ্যন্তরে হতে হবে এবং অবশ্যই ঐ ঠিকানায় অবস্থান করতে হবে।
     যারা বিদেশে অবস্থান করছেন  তাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত থাকতে হবে।
    মেশিনরিডেবল পাসপোর্টে (এম.আর.পি) যদি ঠিকানা উল্লেখ না থাকে সেক্ষেত্রে, পাসপোর্টে যে স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে তার প্রমাণ স্বরুপ স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার এর সনদ পত্র /জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র এর ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে  দখিল করতে হবে।
    স্পেনে যাওয়ার জন্য যারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার আবেদন করবেন তারা সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বরাবর উল্লেখিত কাগজ পত্র সহ তাদের আবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা-০৩ এ দাখিল করতে হবে।
    আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রদত্ত টোকেনটি ডেলীভারীর দিন অবশ্যই নিয়ে আসতে হবে।
    আবেদন পত্র জমা দেওয়ার এক সপ্তাহ পর অত্র অফিস হতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
    যাদের পাসপোর্টে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের ঠিকানা দেওয়া আছে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার, জেলা বিশেষ শাখা বরাবর উল্লেখিত কাগজ পত্র সহ আবেদন করতে হবে।


প্রকাশে ---এএসএম হাফিজুর রহমান
সহকারী পুলিশ কমিশনার
মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।









বরাবর
পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।

বিষয় ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নি¤œস্বাক্ষরকারীর এই মর্মে আবেদন করিতেছি যে, আমি/ আমার..........................
.................................................................................................এর বিদেশ যাওয়া/ স্থায়ীভাবে বসবাস করার................................................................................. জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের প্রয়োজন। আমি/আমার...........................................................................এর পাসপোর্ট অনুযায়ী বৃত্তান্ত নিম্নরূপ নাম........................................................................................ পিতা/স্বামী.........................................
.........................ঠিকানা......................................................................................................................................................................................................................................................................... পাসপোর্টের নম্বর....................................... ইস্যুর তারিখ...... ....................................................মেয়াদ উর্ত্তীণের তারিখ...............................................স্থান .......................................।


অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন এই যে, আমি যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে পারি তার প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা করতে মর্জি হয়।


তারিখ-
সংযুক্ত:
১। পাসপোর্টের ফটোকপি (সত্যায়িত)।
২। ব্যাংক চালানের মূলকপি।
    বিনীত নিবেদক 
...............................
(                            )
ঠিকানা:-
ফোন নং................................

ময়লা-আবর্জনা থেকে ২ হাজার ২০৪ পাউন্ড স্বর্ণ পেল অ্যাপল! যার বর্তমান বাজারমূল্য চার কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি

ময়লা-আবর্জনা থেকে ২ হাজার ২০৪ পাউন্ড স্বর্ণ পেল অ্যাপল! যার বর্তমান বাজারমূল্য চার কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি

মার্চ মাসে ভাঙা, নষ্ট, ব্যবহার অযোগ্য আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার থেকে দুই হাজার ২০৪ পাউন্ড স্বর্ণ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
যার বর্তমান বাজারমূল্য চার কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি। এ খবর জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।
অনেকেই হয়তো জানেন না, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্য নির্মানে স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। কারণ স্বর্ণ উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং এর ক্ষয় কম হয়। স্বর্ণের তুলনায় রুপা বেশি বিদ্যুৎ পরিবহী তবে রুপার ক্ষয় দ্রুত হয়। আর সে কারণেই সামান্য পরিমাণ হলেও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে স্বর্ণ ব্যবহৃত হয়।
অ্যাপল যখন তাদের পুরোনো পণ্যের ভান্ডারকে আবারো নতুন পণ্য নির্মাণের জন্য উপযোগী বা রিসাইকেল করছিল তখনই এ বিপুল স্বর্ণ পায় তারা। প্রায় নয় কোটি পাউন্ড আবর্জনা থেকে থেকে দুই হাজার ২০৪ পাউন্ড স্বর্ণ পেয়েছে অ্যাপল।
বিশ্ববাজারে প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ২০০ মার্কিন ডলার হওয়ায় বেশ ভালোই লাভবান হবে অ্যাপল।
অ্যাপলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নয় কোটি পাউন্ড বর্জ্যের মধ্যে থেকে ছয় কোটি পাউন্ড পুনরায় ব্যবহারযোগ্য পদার্থ তারা আলাদা করেছে।
তবে শুধু স্বর্ণই নয়, আবর্জনার স্তূপ থেকে দুই কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড ইস্পাত, এক কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড প্লাস্টিক, এক কোটি ২০ লাখ পাউন্ড কাঁচ, সাড়ে চার কোটি পাউন্ড অ্যালুমিনিয়াম, তিন কোটি পাউন্ড কপার ও ছয় হাজার ৬০০ পাউন্ড রুপা পেয়েছে অ্যাপল।
কয়েক বছর ধরেই রিসাইক্লিং প্রক্রিয়া বেশ ভালোভাবেই চালু করেছে অ্যাপল। বিভিন্ন অ্যাপল স্টোরে পুরোনো অ্যাপল সামগ্রী জমা দেওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।
আর অ্যাপল স্টোর থেকে সংগৃহীত এসব পুরোনো আইফোন, আইপ্যাড, আইপড ও ম্যাক কম্পিউটার থেকেই নতুন পণ্য তৈরির উপাদান বের করে নেয় অ্যাপল।
মাঝে মাঝে আবর্জনা থেকেও যে মূল্যবান জিনিস পাওয়া যায় সেটা প্রমাণ করল অ্যাপল।