শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

 1GB INTERNET AND 1GB FACEBOOK ONLY 9 TAKA (GRAMEENPHONE OFFER)

1GB INTERNET AND 1GB FACEBOOK ONLY 9 TAKA (GRAMEENPHONE OFFER)

Grameenphone launched a great offer. Customers who have used less then 150 KB internet in the last 3 month they can enjoy 2Gb (1Gb Open Internet + 1 Gb Facebook) Data at only 9TK.
Offer Details and Conditions:
1. This Promotional Offer has started on 8 June 2015 and will run until further notice.
2. Only GP prepaid customers who have used less than 150KB of data in the last 90 days will be eligible for this offer.
3. Customers will get 1GB internet at BDT 9 (+ SD & VAT) for browsing any website and additional 1GB for using Facebook, Facebook Messenger and comoYo (through mobile applications & websites through native browsers)  
4. Subscribers will not be able to use 1GB Facebook volume through proxy based browsers (except Opera Mini).
5. To avail the offer dial *500*91#
6. This special pack is valid for 30 days. After validity period, the offer will be deactivated.
7. If customer avails this offer after availing a 3G package, Facebook volume will be added to the 3G package but Facebook volume shall only be used for Facebook, Facebook Messenger and comoYo.
8. If non Internet customers avails the offer, the special Facebook offer will be deactivated after 30 days of activation date
9. If customers cross the 1GB Facebook volume quota or the 1GB other Open Internet volume within 30 days, they will be charged as Tk0.01/10KB till expiry date

10. Unlimited and Smart Plan users will not be able to opt in to this campaign until they deactivate their packages
11. Customers need to download the messenger applications from the respective online stores
12. If a customer purchases any other 3G or 2G Pack on top of this offer, the offer will be converted to the latest pack he/she has availed.
13. To check remaining Facebook volume dial *566*1# and to check other Internet volume dial *567#
14. Maximum Internet speed will be 1 Mbps. Average likely speed will depend on multiple factors such as handset used, website visited, time, place and distance from BTS etc. 3G speed only applicable for areas which fall under 3G coverage zone.
15. Any customer can avail free Facebook offer maximum 1 time during the campaign period.
16. Customers need to have at least 1 paisa balance in main account to enjoy the free FB offer.
17. For customer support dial 121

মোবাইল ইন্টারনেট চার্জ কমাতে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান

মোবাইল ইন্টারনেট চার্জ কমাতে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান

ব্যান্ডউইথের দাম কমার কারণে সব মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেটের খরচ কমিয়ে আনতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে মানুষের ব্যবহার বাড়বে ও দেশের আয় বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
আজ শনিবার গণভবনে উপজেলা ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেটের দাম জনগণের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে আমরা প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের দাম আট দফায় কমিয়ে​ছি। যেখানে ৭৮ হাজার টাকা ছিল সেটা এখন ৬২৫ টাকায় নামিয়ে এনেছি। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি যে, তারাও সমানভাবে গ্রাহকদের ব্যবহারের দামটা কমাতে পারে। তাতে করে মানুষ কিন্তু আরও বেশি করে ব্যবহার করবে আয়টা বাড়ছে। সেই সঙ্গে ভিওআইপি বন্ধ করতে হবে। সেটা ব্যবহার করে সরকারের লোকসান ও দেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। কাজেই সে বিষয়টা দেখতে হবে।’
ডিজিটাল ব্যবহারের নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই নিরাপত্তা একান্তভাবে দরকার। কাজেই আমরা “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন” করতে যাচ্ছি। সঠিকভাবে যাতে আইনটা হয় ও প্রয়োগ হয়, সেটা আমাদের দেখতে হবে। কোনো র​কমের অপব্যবহার যাতে না হয়। অর্থাৎ​ এ অপব্যবহার আমাদের সমাজকে ধ্বংস করবে। আমাদের যুব সমাজ বা শিশু তাদের ক্ষতি করবে। এটা যেন না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রযুক্তিটাকে ব্যবহার করে আর্থসামাজিক উন্নতির পথে দেশ​কে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তবে তিনি বিশেষভাবে বলেন, ‘শুধু একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে, প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করব এটা যেন সামাজিক অবক্ষয় না করতে পারে। সে বিষয়টার দিকে নজর রাখার আমি দৃষ্টি দিচ্ছে।’
সীমান্ত খুলে দিয়েছে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া

সীমান্ত খুলে দিয়েছে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া

সীমান্ত খুলে দিয়েছে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া

হাঙ্গেরি সীমান্ত দিয়ে আসা হাজারো শরণার্থীর জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া। আর তাদের পৌঁছে দিতে বাসের ব্যবস্থা করেছে হাঙ্গেরি। এরই মধ্যে অস্ট্রিয়াতে এসে পৌঁছছে প্রায় দুই হাজার শরণার্থী। ধারণা করা হচ্ছে আজ সারাদিনে দ্বিগুণ হয়ে যাবে এ সংখ্যা। এদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে অস্ট্রিয়ার রেড ক্রস। রয়েছে জার্মানিতেও প্রবেশের সুযোগও।
ছোট ছোট শিশুদের সাথে নিয়ে সারারাত পায়ে হেঁটে অস্ট্রিয়ায় এসে পৌঁছেছে হাজারো শরণার্থী।  হাঙ্গেরি সরকার রেলস্টেশন বন্ধ করে দেয়ায়, মরিয়া হয়েই হাঁটাপথ ধরে প্রায় এক হাজার দুইশ সিরীয় শরণার্থী।
অভূতপূর্ব এই পরিস্থিতিতে, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গিলা মের্কেলের সাথে টেলিফোনে কথা বলে সীমান্ত খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ওয়ের্নার ফেমান। এর পরপরই শরণার্থীদের পরিবহনে বাস সার্ভিস চালু করে হাঙ্গেরি।
একজন শরনার্থী জানান, “হাঙ্গেরি ছাড়তে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে আমার। কারণ সেখানকার পরিস্থিতি খুবই খারাপ, বলা চলে কুৎসিত। সিরিয়ার মানুষ সহ সব শরণার্থীদের কাছে আমার বার্তা,  আপনারা কেউ হাঙ্গেরিতে আসবেন না”
কয়েকদিন ধরেই, বুদাপেস্টের কেলেতি রেলস্টেশন চত্বরে খাবার-পানির তীব্র সঙ্কটের মধ্যে খোলা আকাশের নীচে কাটাচ্ছিল হাজারো শরণার্থী। নিরাপত্তাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষের পাশাপাশি, অভিবাসন-বিরোধী হাঙ্গেরির গোঁড়া জাতীয়তাবাদীদের হামলার শিকারও হতে হয় তাদের।
মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন সংঘাতমুখর ও দরিদ্র দেশ থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে এ বছর ইউরোপে এসে পৌঁছেছে তিন লাখেরও বেশি শরণার্থী। এদের মধ্যে অন্তত দেড় লাখই পরবর্তীতে বলকান দেশগুলো হয়ে হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করেছে । তবে এদের অধিকাংশেরই প্রথম পছন্দের দেশ, জার্মানি। এ বছর প্রায় আট লাখ সব অভিবাসন প্রত্যাশীকে আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপের এ সমৃদ্ধ দেশটি। চলমান সঙ্কট সমাধানে, ইইউ এর প্রতিটি সদস্য দেশকে অন্তত দুই লাখ করে শরণার্থীর দায়িত্ব নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশে র‍্যাব কি চাপে পড়েছে?

বাংলাদেশে র‍্যাব কি চাপে পড়েছে?


বাংলাদেশে গত এক দশকে র‍্যাব সহ বিভিন্ন বাহিনীর সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে দু হাজারেরও বেশি মানুষ। নানা ঘটনায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে সংস্থাটি। তবে র‍্যাব সংশ্লিষ্ট ছিল এমন কোন কাজের সমালোচনা ক্ষমতাসীন কোন দল থেকে কখনোই শোনা যায়নি।

তবে এবার সেটিই দেখা যাচ্ছে ঢাকার হাজারীবাগে সম্প্রতি রাজা নামক একজন কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠার একদিন পর স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়ার কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহতের ঘটনার পর । আরজু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ক্ষমতাসীন দল থেকেই তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে র‍্যাবের ।

আর এ সমালোচনায় কি কিছুটা হলেও চাপের মুখে পড়েছে পুলিশের এ বিশেষ বাহিনীটি ? হাজারীবাগে আরজু মিয়ার বাসায় বসে কথা হয় তার ভাই মাসুদ রানার সাথে যিনি তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে মামলা করেছেন আদালতে । তিনি বলেন, “যখন শুনেছি র‍্যাব আরজুকে আটক করেছে তখন বরং মনে শান্তি পেয়েছিলাম যে এলাকার কোন্দল থেকে যে রাজা মারা যাওয়ার ঘটনা নিয়ে হৈ চৈ হাঙ্গামা তা থেকে আরজু বেচে আছে, ভালো আছে,সুস্থ আছে। কিন্তু এভাবে মেরে ফেলবে সেটা কল্পনাও করতে পারেনি ”।

নারায়নগঞ্জের ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে সংস্থাটির পদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তারাই। পরে সংবাদ সম্মেলনে থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও আপনারা অনেক কথা বলেছেন। তো কি বলতে চেয়েছেন আপনারা ? – এমন প্রশ্নের জবাবে মাসুদ রানা বলেন, “ আরজুকে পরিকল্পিতভাবে দলেরই কোন খারাপ লোকেরা হত্যা করেছে। আমিও তাই মনে করি। ক্ষমতার অপব্যবহার করে আরজুকে হত্যা করা হয়েছে এজন্য মামলা করেছি। সঠিক তদন্ত চাই। মনের দিক থেকে সন্তুষ্ট থাকবো যে আমার ভাই যে দল করেছে তারা বিচার করতে পারে। ” তো দলটির নেতারা কি সেই আশ্বাস বা নিশ্চয়তা দিয়েছে আপনাকে ? জবাবে মাসুদ রানা “ সবাই আশ্বাস দিচ্ছে যে বিচার পাবো ও তাড়াতাড়ি ই পাবো। স্থানীয় সংসদ সদস্যের কথায় আমরা সন্তুষ্ট । উনি আমাদের গাইড করছেন”।

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী আরজু মিয়ার মতো অন্তত দু হাজার মানুষ ২০০৪ সালে র‍্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে র‍্যাব সহ বিভিন্ন বাহিনীর সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

কিন্তু কখনোই ক্ষমতায় থাকা দলগুলো এ নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি । বরং গত বছর এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের পর এবং পরে জুলাইয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানায়। একি দাবি করেছিলেন করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াও। সরকারের মন্ত্রীদের অনেকেই এজন্যে তখন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের তীব্র সমালোচনা করেন । এমনকি নিজ দলের কর্মীর বন্দুকযুদ্ধে নিহত বা গুম হওয়ার ঘটনাতেও আরে আগে তেমন কোন উচ্চবাচ্য করতে চাননি তারা। কুমিল্লার কাজী আব্দুল মতিন বলছিলেন তার ছেলে কুমিল্লায় ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এক সময় । উনিশ মাস আগে তার ছেলেকে বাড়ি থেকেই তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


নিখোঁজ সন্তানের একটি ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, “দেখুন ছবিতে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে আমার ছেলে। মন্ত্রীর সাথে রাতভর মিটিংয়ের পর বাসায় আসার পরেই ওই ঘটনা ঘটে। পরে মন্ত্রী সহ স্থানীয় নেতারা অনেক খোজ করেছেন কিন্তু আমি আমার সন্তানর খোজ আজও পাইনি”।

তবে এবার হাজারীবাগের ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতারা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। কথা বলেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, যা নিয়ে কার্যত কিছুটা চাপেই পড়েছে র‍্যাব । ওই এলাকার কাউন্সিলর তারিকুল ইসলাম সজিব বলছেন আরজু হত্যার সাথে জড়িতদের কোনভাবেই ছেড়ে দেবেননা তারা।

তিনি বলেন, “ আরজুর শরীরের জামা কাপড়ে গুলির কোন দাগ ছিলনা, শুধু শরীরে ছিলো। সে পালানোর চেষ্টা করলে গুলি লাগতো পিঠে। এছাড়া আমি তার শরীরে কুকুরের কামড়ের দাগ দেখেছি। এ ঘটনার সাথে দল বা প্রশাসনের যে-ই জড়িত থাকুক ছাড়া পাবেনা। ” তবে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল বলছেন শুরু থেকেই বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে এখনকার মতো প্রতিক্রিয়া আসলে এতো বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিকে বন্দুকযুদ্ধের শিকার হতে হতোনা বলেই মনে করেন তিনি।

“ এখন বিতর্ক হচ্ছে যেটা আগে হয়নি কখনো । এটা ভালো ইঙ্গিত । যদিও বড় খরচের মধ্য দিয়ে এটা হলো যে প্রায় ২ হাজার মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে । এখন যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে, এবং এ ধরনের প্রশ্ন বা বিতর্ক যদি ১০/১৫ বছর আগে সূচনা হতো তাহলে এতো মানুষ এর শিকার হতোনা”।

তিনি বলেন, আরজু মিয়ার ক্ষেত্রে পরিবার থেকে যে মামলা হয়েছে সে ধরনের মামলা আগেও হয়েছে কিন্তু সব সময়ই দেখা গেছে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাকে পদ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

“ আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এরা আসে সামরিক বাহিনী থেকে এবং পুলিশের হয়ে কাজ করছে। যখন অভিযোগ আসে তখন তারা যখন সামরিক বাহিনীতে চলে যায় তখন তাদের ওপর সামরিক বাহিনীর বিধি বিধান প্রযোজ্য হয়। ফলে সাধারণ আদালতে ফৌজদারি অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া থেকে তাদের দুরে সরিয়ে নেয়া হয়। এ ধরনের প্রক্রিয়ার কারণেই এরা জবাবদিহিতার সম্মুখীন হয়না ”

আর জবাবদিহিতার কোন সুযোগ নেই বলেই অনেকে পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে তার শেষ পরিণতি সম্পর্কেও জানতে পারেননি। হাজারীবাগের মাসুদ রানা কিংবা কুমিল্লার কাজী আব্দুল মতিন তাদের ভাই কিংবা সন্তান নিহত বা নিখোঁজ হওয়ার পর ক্ষমতাসীন দলের নেতা বা কর্মী হওয়ার সুবাদে দল বা প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছেন বা পাওয়ার চেষ্টার সুযোগ পেয়েছেন।

কিন্তু সে সুযোগও পাননি ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে ১৯ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম। সরকারি নানা দপ্তরে ঘুরে হতাশ সানজিদা বলছেন এখন সরকারি দলের কর্মীরা নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে তাদের দলের নেতারা বিচারের যে দাবি করছেন সেটি হলেও তারা খুশী হবেন।

“ র‍্যাবের পোশাক পড়া লোকজন আমার ভাই সহ কয়েকজনকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যেই ঘটেছে । তিনি ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন এখানে। কাউন্সিলর নির্বাচনে আগ্রহী ছিলেন । থানা, পুলিশ, মানবাধিকার কমিশন সব জায়গায় গেছি আমরা বার বার। কিন্তু খোঁজই পেলামনা এখনো। এখন সরকারি দলের কর্মীদের হত্যার বিচার হলে নিশ্চয়ই একদিন আমরাও বিচার পাবো ”।

বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের ঘটনার পাশাপাশি সাজেদুল ইসলাম সুমনের মতো অসংখ্য মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে মূলত রাজনৈতিক সংঘাত সহিংসতার সময় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়া বা গুম হওয়ার ঘটনা বেড়ে যায় । তবে র‍্যাব সবসময়ই বলে আসছে যে আর এসব ঘটনার অধিকাংশগুলোর ক্ষেত্রেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন র‍্যাবের বিরুদ্ধেই। কিন্তু সরকার ও র‍্যাব এগুলো সবসময়ই প্রত্যাখ্যান করে আসছে। র‍্যাবের উপপরিচালক মেজর মাকসুদুল আলম বলছেন একটি শক্তিশালী তদন্ত সেল অভিযোগের তদন্ত করে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।

তিনি বলেন, “ যে কোন অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন বিশেষায়িত সেল আছে। তারা স্বচ্ছতার সাথে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। অনেকের বিরুদ্ধেই চাকুরিচ্যুতি সহ নানা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই কোন কিছু ঘটলেই র‍্যাবের সমালোচনা করা হয় কিন্তু পরে দেখা যায় সে অভিযোগ সত্যি হয়না। ”

তবে সাম্প্রতিক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাগুলোর পর তীব্র সমালোচনা হচ্ছে এটা কি কোন চাপ সৃষ্টি করছে র‍্যাবের ওপর—এমন প্রশ্নের জবাবে মি আলম বলেন, “কাজ করতে গেলে সমালোচনা হবেই। কোন গাফিলতি বা থাকলে তদন্ত পর্ষদ আছে

তারা তদন্ত করে আইনগত যা করার সেটাই করা হবে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনাতেও ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই কোন বাড়তি চাপ মনে করছিনা ”।

কিন্তু র‍্যাব বা সরকার যা-ই বলুক, অনেকেই মনে করেন হাজারীবাগের আরজু মিয়ার নিহত হওয়ার পর সরকারি দলের নেতাদের কঠোর সমালোচনা বন্দুকযুদ্ধ সহ নানা ঘটনায় শুরু থেকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়া র‍্যাবের ওপর নৈতিক দিক থেকে হলেও একটি বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে । ।বিবিসি বাংলা।

টেষ্টটিউবে জন্ম শিশু ।

টেষ্টটিউবে জন্ম শিশু ।

বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ইনফারটিলিটি বা বন্ধ্যত্বের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। বন্ধ্যত্ব কেন হয়, এর প্রতিকারই বা কী? কীভাবে টেস্টটিউব বেবি নিতে হয়—এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন স্কয়ার হাসপাতালের গাইনি, অবস অ্যান্ড ইনফারটিলিটি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. রেহনুমা জামান। আজ ৪ সেপ্টেম্বর, এনটিভির স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২১৪১তম পর্বে এই আলাপচারিতা প্রচারিত হয়।


প্রশ্ন : ইনফারটিলিটি বা বন্ধ্যত্ব বলতে আমরা কী বুঝি?
উত্তর : যখন এক দম্পতি, যেখানে স্ত্রীর বয়স ৩০ বছরের নিচে, তারা যদি এক বছর কোনো জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি গ্রহণ না করে সন্তান নিতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, অর্থাৎ যদি সন্তান ধারণ করতে না পারে, সে ক্ষেত্রে এটিকে আমরা বন্ধ্যত্ব বা ইনফারটিলিটি বলি। আর যদি স্ত্রীর বয়স ৩০ বছরের বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে ছয় মাস চেষ্টা করার পরও যদি গর্ভধারণে সক্ষম না হয়, তখন আমরা তাকে বন্ধ্যত্ব বলে থাকি।
প্রশ্ন : এই সমস্যা কেন হয়? এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে কি না?
উত্তর : অবশ্যই এর পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ছেলেদের ক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি, তাদের শুক্রাণুর স্বল্পতা বা শুক্রাণু একদমই না থাকা এসব কারণে হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতি মাসে অভুলশেন (ডিম্বোস্ফোটন) হওয়ার কথা, ডিম বের হওয়ার কথা—তবে এই ডিম্বোস্ফোটনে সমস্যা হলে, টিউবাল ব্লকেজ থাকলে, জরায়ুতে সমস্যা থাকলে, কোনো টিউমার বড় হয়ে গিয়ে জরায়ুতে থাকলে এর ধারণক্ষমতা কমে গিয়ে অথবা কিছু হরমোনাল সমস্যার কারণে বন্ধ্যত্ব হতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে এ রকম কিছু কারণে বন্ধ্যত্বের সমস্যা হতে পারে।
প্রশ্ন : যখন অনেক দিন ধরে সন্তান না হওয়ার সমস্যা নিয়ে কোনো দম্পতি আসছে, প্রাথমিকভাবে আপনারা কী পরামর্শ দিয়ে থাকেন?
উত্তর : প্রাথমিকভাবে আমরা তাদের ইতিহাস জেনে নিই, তাদের বয়স কেমন সেটা জেনে নিই। কোনো মেডিকেল ইতিহাস আছে কি না, সেটাও দেখতে হয়। কোনো পুরোনো ইতিহাস আছে কি না, মামস, টিউবার কোলোসিস—এ রকম কিছু হয়েছে কি না। এর পর কোনো অস্ত্রোপচারের ইতিহাস আছে কি না। তার পর স্ত্রীর ঋতুস্রাবের ইতিহাস সম্পর্কে খোঁজ নিই। নিয়মিত ঋতুস্রাব হচ্ছে কি না। এগুলো থেকে আমরা মোটামুটি ধারণা করতে পারি সমস্যাটা কোথায় আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই অনুসন্ধান করে থাকি। যদি দেখি ডিম ঠিকমতো ফুটছে না, সে অনুযায়ী অনুসন্ধান করে থাকি।
আর প্রাথমিক কিছু বিষয় আছে, ছেলেদের ক্ষেত্রে আমরা সিমেন অ্যানালাইসিস করি। একটা সিমেন অ্যানালাইসিসে অনেক কিছু বোঝা যায়। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে আমরা কিছু হরমোনাল পরীক্ষা করে থাকি। কোনো থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা আছে কি না। অথবা ডিম ফুটতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না, জরায়ু ভালো আছে কি না—এ রকম কিছু দেখে থাকি। আমরা বন্ধ্যত্বকে দুটো ভাগে ভাগ করি—প্রাইমারি (প্রাথমিক) ও সেকেন্ডারি (দ্বিতীয়)।
প্রশ্ন : এটা কীভাবে ভাগ করেন?
উত্তর : যখন কখনোই হয়তো গর্ভধারণই করে না, সে রকম ক্ষেত্রে আমরা প্রাইমারি ইনফারটিলিটি বলে থাকি। আর সেকেন্ডারি ইনফারটিলিটি বলি সেটাকে, যেখানে আগে হয়তো অ্যাবরশনের ইতিহাস রয়েছে, প্রসবের ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু আবার দীর্ঘদিন ধরে গর্ভধারণ হচ্ছে না। সেসব ক্ষেত্রে আমরা সেকেন্ডারি ইনফারটিলিটি বলি। সেসব ক্ষেত্রে টিউবাল ব্লকেজ আছে কি না, সেটা খোঁজার চেষ্টা করি।
প্রশ্ন : যখন নিশ্চিত হয়ে যান কী কারণে সমস্যাটি হচ্ছে, তখন আপনাদের চিকিৎসা কী থাকে, পরামর্শ কী থাকে?
উত্তর : ছেলেদের ক্ষেত্রে যদি শুক্রাণু গণনায় কম আসে, তখন এটি বাড়ানোর জন্য ওষুধ দিয়ে দিই। অনেক সময় একেবারে শুক্রাণু না থাকার সমস্যা থাকে, অনেক সময় এ রকম হয় যে ব্লকেজের কারণে আসতে পারছে না, আবার অনেক সময় দেখা যায় শুক্রাণু তৈরিই কম হচ্ছে—তখন আমরা কিছু পরামর্শ দিই। বলি, ইউরোলজিস্টের কাছে যান। তাঁরা কিছু সার্জারি করতে পারেন। অথবা এখানে আইভিএফ বা টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতি খুব ভালো কাজে দেয়।
আর মেয়েদের ক্ষেত্রে যদি ডিম ফোটা না হয়, তবে হওয়ার জন্য ওষুধ দিই। ডিম্বোস্ফোটন না হওয়ার খুব প্রচলিত একটা কারণ হচ্ছে পলিসিসটিক অভারি। এখানে রোগীকে বাড়তি ওজন কমাতে বলি, সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা দিই।
মেটফরমিন-জাতীয় কিছু ওষুধ দিই। মোটামুটি দেখা যায়, এতে সমস্যা দূর হয়ে যায়। শুরুতে আমরা মুখে খাওয়ার ওষুধ দিই। এতে না হলে ইনজেকশন দিই। তাতে না হলে আরো বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, সেগুলোতে যেতে পারি।
আর যদি জরায়ুতে কোনো সমস্যা থাকে, হয়তো টিউমার আছে, অনেক সময় দেখা যায় টিউমার ফেলে দিলেই গর্ভধারণ হয়ে যাচ্ছে। আর যাদের বাইলেটারাল টিউবার ব্লকেজ আছে, ওদের ক্ষেত্রে সরাসরি টেস্টটিউব বেবিতে চলে যেতে হয়।
প্রশ্ন : যাঁরা বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা সন্তান চান। তবে অনেক ক্ষেত্রে টেস্টটিউব বেবি—এ পদ্ধতিতে চান না। এটিকে হয়তো সে রকম আপন করে নিতে পারেন না। এ রকম একটা বিষয় রয়েছে। আপনার এ ক্ষেত্রে অভিমত কী?
উত্তর : মেয়েদের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে বয়স। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের যেমন ডিম ফোটা কমতে থাকে, এর মানও কমতে থাকে। সেটার কথা মাথায় রেখেই আসলে সবকিছু করতে হবে। আমাদের দেশে অনেকের ধারণা, টেস্টটিউব বেবি একেবারে শেষে করব। আসলে শেষে করে লাভ নেই। এটারও একটা সফলতার বিষয় রয়েছে। এটা নির্ভর করে ডিমের মান কেমন, শুক্রাণুর মান কেমন, জরায়ু কেমন, জরায়ু একে ধরে রাখতে পারবে কি না, পাশাপাশি ল্যাব টেকনোলজি এসবের ওপরে। তাই দেখা যায়, বয়স বড়লে ডিমের মান খারাপ হয়ে যায়। তখন সফলতার হার একদমই কমে যায়। আর মেয়েদের তো ৩০ বছরের পর ডিমের মান খারাপ হতে থাকে, সংখ্যাও কমে যায়। এ জন্য আমরা বলি, সবাইকে ৩০ বছরের মধ্যে পরিবার পূর্ণ করার জন্য। ৩৫-এর মধ্যে যেন সব চিকিৎসা শেষ করে। ৩৫ বছরের পর সফলতার হার কমে যায়। সে জন্য সময় থাকতে আইভিএফ বা টেস্টটিউব বেবি নেওয়া উচিত। যদি আপনি সিদ্ধান্ত নেন আইভিএফ করবেন, তবে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করতে হবে।
প্রশ্ন : বন্ধ্যত্বজনিত সমস্যা আসলে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। সারা বিশ্বেই বাড়ছে। এটি কেন হচ্ছে এবং কী অবস্থা এর?
উত্তর : আসলে আমাদের দেশে এর সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। সারা বিশ্বে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছে। আর এটা বাড়ার অনেক কারণ আছে। একেক জায়গায় আসলে কারণ একেক রকম। যেমন শহরাঞ্চলে মেয়েরা সন্তান নিতে দেরি করে ফেলছে, ক্যারিয়ারে সময় দিতে গিয়ে বয়সটা বেড়ে যাচ্ছে। আর গ্রামে দেখা যাচ্ছে, সংক্রমণের কারণে সমস্যা হচ্ছে। সংক্রমণের জন্য টিউবাল ব্লক হয়ে যাচ্ছে। সঠিক সময়ে ওরা চিকিৎসা নিচ্ছে না—মোটামুটি এগুলোই কারণ।
এ ছাড়া ছেলেদের ক্ষেত্রে মানসিক চাপ একটি বড় ব্যাপার। ছেলেদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা হয়তো দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করছে, হয়তো পরিবেশটা সে রকম নয়, আঁটসাঁট কাপড় পরছে, যেগুলোতে শুক্রাণু ধ্বংস হয়ে যাওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা থাকে। ধূমপান, দূষণ সবকিছু মিলিয়ে বন্ধ্যত্বের প্রকোপ আসলে বেড়ে যাচ্ছে আমাদের দেশে।
প্রশ্ন : আবার একটু চিকিৎসার দিকে ফিরে যাই। সাধারণত এই চিকিৎসাটা কখন শুরু করা উচিত বলে আপনি মনে করেন? অনেকে আছেন যাঁরা বুঝে যান, এর পরও একটু চেষ্টা করতে চান। এটি কি আসলে খুব যৌক্তিক?
উত্তর : আমি যে বললাম, এক বছরের যেই সময়টা। এই সময়ে না হলে অবশ্যই তাকে অনুসন্ধান করতে হবে, যে কেন হচ্ছে না। তখন কোনো একটা কারণ পাওয়া গেলে সেভাবে চিকিৎসা করতে হবে। আবার ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই বন্ধ্যত্ব হয়। কোনো কারণ নেই, তবুও গর্ভধারণ হচ্ছে না। ওদের ক্ষেত্রে দেখা যায় পর্যায়ক্রমে চিকিৎসা করতে হয়। প্রথমে ডিম ফোটার, এর পর পর্যায়ক্রমে মুখে ওষুধ খেয়ে, এর পর না হলে আইইউআই পদ্ধতি রয়েছে—এসব পদ্ধতি দিয়ে চিকিৎসা করতে হয়। এর পরও না হলে তাদের ক্ষেত্রেও দেখা যায় অনেক সময় আইভিএফ চিকিৎসায় যেতে হয়।
প্রশ্ন : আইভিএফ বা টেস্টটিউব বেবি কীভাবে হচ্ছে, একটু বিস্তারিত বলবেন?
উত্তর : আইভিএফ কোনো জটিল পদ্ধতি নয়। এখানে স্ত্রীকে ঋতুস্রাবের শুরু থেকে কতগুলো ইনজেকশন দিতে থাকি। যাতে তার ডিমগুলো বড় হয়, পরিপক্ব হয়। মাঝেমধ্যে একটু ফলোআপ করি। আলট্রাসাউন্ড করি। রক্ত পরীক্ষা করে দেখি যে বড় হচ্ছে কি না। যখন ডিমগুলো পরিপক্ব হয়, সেগুলোকে আমরা বাইরে নিয়ে আসি। বাইরে এনে স্বামীর শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিয়ে ল্যাবে এম্ব্রোয়স (ভ্রূণ) তৈরি করে, সেই এম্ব্রোয়স (ভ্রূণ) জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করে দিই। এটা খুব বড় কিছু আমি বলব না। খুব ছোট পদ্ধতি। স্বাভাবিক বাচ্চাদের মতোই এটি হচ্ছে।
প্রশ্ন : অনেকের ধারণা থাকে টেস্টটিউব বেবি, তাই সম্পূর্ণ বিষয়টিই বোধ হয় টেস্টটিউবে হয়...
উত্তর : আসলে বাইরে হচ্ছে না। কেবল ফার্টিলাইজেশন বাইরে হচ্ছে, এরপর আবার জরায়ুর মধ্যে সে স্বাভাবিক শিশুর মতো বড় হচ্ছে। এবং জন্মের পরও সে বাচ্চাটি স্বাভাবিক বাচ্চাদের মতোই হচ্ছে। জন্মগত কোনো ত্রুটি নেই, একই রকমই হচ্ছে। স্বাভাবিক বাচ্চা যে রকম হয়, টেস্টটিউব বেবিও সে রকম হয়।
প্রশ্ন : বন্ধ্যত্ব যেন সহজে ধরা পড়ে এবং সে অনুযায়ী যাতে চিকিৎসা নেয়, এ জন্য দম্পতিদের প্রতি আপনার কোনো পরামর্শ আছে কি না?
উত্তর : পরামর্শ হচ্ছে, অনেক দম্পতি জানেন না কোন নির্দিষ্ট সময়ে সহবাসে গেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। সেটি জেনে সময় অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে। এর পরও যদি গর্ভধারণ না হয়, এক বছর চেষ্টা করে তাদের অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।