শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৫

পারমাণবিক অস্ত্রে বিশ্বের তৃতীয় হতে যাচ্ছে পাকিস্তান

পারমাণবিক অস্ত্রে বিশ্বের তৃতীয় হতে যাচ্ছে পাকিস্তান

আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই পরমাণু অস্ত্র মজুদের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে চলে যেতে পারে পাকিস্তান। দেশটি যেভাবে দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র (ওয়ারহেড) মজুদ করছে, এতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলা সময়ের ব্যাপার মাত্র। অর্থাৎ, পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদে আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরই হতে পারে পাকিস্তানের স্থান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পারমাণবিক শক্তির অধিকারী ভারতের ভয়ে পারমাণবিক অস্ত্রাগারে প্রতিবছর ২০টি করে যুদ্ধাস্ত্র যুক্ত করছে পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক শান্তি বিষয়ক কার্নেগি এনডাওমেন্ট ও স্টিমসন সেন্টারের প্রতিবেদনের সূত্রে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, আগুয়ান বছরগুলোতে পাকিস্তানের কাছে অতি-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় ধরনের মজুত থাকায় দেশটির পক্ষে দ্রুত স্বল্পমাত্রার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এগিয়ে থাকা সম্ভব। অন্যদিকে ভারতের কাছে রয়েছে সমৃদ্ধ প্লুটোনিয়ামের বিশাল মজুদ, যা উচ্চক্ষমতার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে কাজে লাগানো সম্ভব। কিন্তু দেশটি এসব প্লুটোনিয়ামের বেশির ভাগই অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার করছে বলে ধারণা করা হয়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের ১০০টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্রের বিপরীতে পাকিস্তানের রয়েছে ১২০টি। আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে পাকিস্তানের এই যুদ্ধাস্ত্র অন্তত ৩৫০টিতে পৌঁছাতে পারে। এতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুতে পাকিস্তান তৃতীয় অবস্থানে চলে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক রুমের ভাড়া ২ লাখ ৭০ হাজার!

এক রুমের ভাড়া ২ লাখ ৭০ হাজার!

প্রবাসীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় উঠে এসেছে অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডার নাম। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মার্সার ‘কস্ট অব লিভিং’ শিরোনামে এক জরিপে দেখা যায়, প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য লুয়ান্ডায় জীবযাত্রার খরচ সবচেয়ে বেশি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, লুয়ান্ডা শহরে এক বেডরুম বিশিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টের মাসিক ভাড়া সাড়ে তিন হাজার ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা (১ ডলার ৭৭ টাকা ধরে)। অন্যদিকে এক জোড়া জিনস কিনতে খরচ হচ্ছে ২৪০ ডলার বা সাড়ে ১৮ হাজার টাকার বেশি! 

আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, লুয়ান্ডাকে এই স্থানে উঠে আসতে প্যারিস, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনের মতো শহরকে পেছনে ফেলতে হয়েছে। তাও আবার পরপর তিনবারের মতো লুয়ান্ডা শীর্ষস্থান ধরে রাখল।

খবরে বলা হয়, অ্যাঙ্গোলার অর্ধেক জিডিপিতে অবদান রাখা তেল শিল্পের কারণেই শহরটি এতোটা ব্যয়বহুল। 

বিশ্বের শীর্ষ দশ ব্যয়বহুল শহর:

•    লুয়ান্ডা, অ্যাঙ্গোলা
•    হং কং, চায়না
•    জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
•    সিঙ্গাপুর, সিঙ্গাপুর
•    জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
•    সাংহাই, চীন
•    বেইজিং, চীন
•    সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
•    বার্ন, সুইজারল্যান্ড
•    ন'জামেনার, চাদ


সরকারকে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করলেন মাহবুব!!

সরকারকে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করলেন মাহবুব!!

বিএনপি চেয়ারপারসেনর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘সরকারের সাথে ভালো আচারণ করে লাভ হবে না। কারণ কুকুরের সাথে ভালো আচারণ করে কোনো কিছু পাওয়া যায় না। তাই যেমন কুকুর তেমন মুগুরের মতো আচারণ করতে হবে। তাহলেই সব স্বাধীনতা আদায় করা সম্ভব।’
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেন্স লাউঞ্জে দিগন্ত টেলিভিশনের সপ্তম বর্ষপূর্তিতে সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি শীর্ষক এক প্রতিবাদ সংহতি সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন। দিগন্ত টেলিভিশনের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সংহতি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনৈতিকদের উদ্দেশ্য করে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার আজ ভুলণ্ঠিত। তাই শুধু সেমিনার ও আলোচনার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলে এই সরকারের কাছ থেকে কোনো কিছু আদায় করা সম্ভব নয়। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপিও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি চায়। কিন্তু সেই বিচার হতে হবে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘দিগন্ত টিভি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে চায়। তাই বর্তমান সরকার দিগন্ত টেলিভিশনকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে দেবে না বলেই তাদের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে।’
দিগন্ত টেলিভিশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলম গোরার সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সংহতি সম্মিলনের আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক বিচারপতি আব্দুল রউফ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, কবি ফরহাদ মজহার, গণস্বাস্থ্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

আবারও রক্তাক্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত, নিহত ১০

আবারও রক্তাক্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত, নিহত ১০

পাকিস্তান ও ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্বু ও কাশ্মীর সীমান্তে আবারও দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া গোলাগুলি শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এসব ঘটনায় দুই দেশের ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জন।
আরএস পুরা ও আরিনা সেক্টর এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের গুলি ও মর্টার হামলায় ভারতের তিনজন স্থানীয় নাগরিক নিহত হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের খবরে জানানো হয়। আহত হয়েছে ১৬ জন।
এদিকে পাকিস্তানের ডন অনলাইন জানিয়েছে, গোলাগুলিতে তাদের দেশের সাত বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে। আহত হয়েছে প্রায় আট জন।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের কিষাণপুর, জোরা ফরম, জুগনো চক, নাবাপিন্ড, হারনা, সিয়া, আবদুল্লিয়ান ও চান্দু চক এলাকায় পাকিস্তানের সেনারা গুলি ও মর্টার ছোড়ে। হামলার সময় স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রও ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ।
জবাবে ভারতের জওয়ানরা পাল্টা মর্টার হামলা চালায়। বিএসএফের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখার দিকে ভারতীয় সেনা মোতায়েন অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের হামলার পাল্টা জবাব দিতে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।
এদিকে ডন জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে সিয়ালকোটের চারবাহ, হারপাল, চাপরা ও সুচিতগর এলাকায় ভারতীয় জওয়ানরা গোলা ছুড়ে মারলে সাতজন স্থানীয় নাগরিক নিহত হয়। আহত হয় আরো অনেকে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব রেঞ্জ জানিয়েছে, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তারাও পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
পাঞ্জাব রেঞ্জের একটি সূত্র জানায়, সিয়ালকোট সীমান্তের দিকে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মারা গেছে অনেক গবাদি পশুও। সাধারণ নাগরিকদের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।
পাকিস্তান ইস্যুকে অন্তর্ভুক্ত না করায় গত ২৩ আগস্টের উভয় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ে আলোচনা বাতিল করে পাকিস্তান। এর পর থেকে কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় উভয় দেশের মধ্যে কয়েকবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

ওয়ান এলেভেনে তফায়েলদের ক্ষমা করতে পারি কিন্তু ভুলতে পারি না ; প্রধানমন্ত্রী ।

ওয়ান এলেভেনে তফায়েলদের ক্ষমা করতে পারি কিন্তু ভুলতে পারি না ; প্রধানমন্ত্রী ।

মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী ও দলে প্রভাবশালী নেতাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২১ আগস্ট গ্রেনেডহামলা ও ২০০৭-এর ‘ওয়ান ইলেভেন’ পরবর্তী সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দলের শীর্ষনেতাদের ‘হাসিনাবিরোধী’ অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আই ক্যান ফরগিভ বাট নেভার ফরগেট’।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনাকালে একথা বলেন বলে নিশ্চিত করেছেন সরকারের একজন মন্ত্রী।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বারবার আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা করা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমি এখনও বেঁচে আছি, সুস্থ আছি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেডহামলায় তারেক জিয়া সরাসরি জড়িত ছিল। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা হাওয়া ভবনে আমাকে হত্যা মিশন সফল করার লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে। কারা কারা সেসব বৈঠকে ছিল বা পরিকল্পনায় কারা কারা জড়িত তার অনেক কিছুই এখন আমি জানি।

শেখ হাসিনা এসময় হঠাৎই তারেক জিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তৎকালীন ভারতীয় রিসার্স অ্যান্ড এনালাইসিস উইং ‘র’-এর কতিপয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। তিনি মন্ত্রিসভায় জানান, সেসময় তারেক জিয়ার সঙ্গে ‘র’-এর একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। যেটা ছিল পারিবারিক পর্যায়ের। উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, তারেক জিয়ার মেয়ের জন্মদিনে পারিবারিক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ‘র’-এর বেশ কজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে নেওয়া আরেক পরিকল্পনা সম্পর্কে এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় পূর্ব নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্তে আমার হাতে একটি কাগজ আসে। যেটিতে লেখা ছিল- অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া ঠিক হবে না। আপনার জীবন সংকটাপূর্ণ। আর যদি বের হতেই হয়, অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হয়- তাহলে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয় তাতে।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেসময় এরকম একটি কাগজ আমার হাতে আসার কথাছিল না। কিন্তু এসেছে। এটা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ি আমি। ভাবতে থাকি এটা কি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার হাতে পৌঁছানো হয়েছে নাকি ভুলে কাগজটি আমার হাতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, যদি টুঙ্গিপাড়ায় বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটতো বা সেখানে যদি আমি মারা যেতাম তাহলে বিএনপি সরকার জনগণের কাছে বলতে পারতো আমরাতো আগেই তাকে (শেখ হাসিনা) জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদের কথা শোনেননি। অথবা এটি ভুল করেও আমার কাছে এসে থাকতে পারে। এভাবেই আমাকে বারবার গোপনে এবং কোনো কোনো সময় প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

ওয়ান ইলেভেনের বিতর্কিত সরকার আমলে নিজ দলের শীর্ষ নেতাদের শেখ হাসিনার বিরোধিতা প্রসঙ্গে বলেন, সেসময় বাংলাদেশে নেতৃত্বের সংকট শুরু হয়। বিশেষ বিশেষ গোষ্ঠী ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়নে উঠে পড়ে লাগে। যেভাবেই হোক মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে। এতে অনেক নেতাই বিভ্রান্তিতে পড়ে যায়। আর এ সুয়োগটাই নেয় ষড়যন্ত্রকারীরা।
  
তিনি বলেন, এখানে উপস্থিত আমার মন্ত্রিসভার কয়েকজন সিনিয়র নেতাও সেসময় ওই ষড়যন্ত্রের পক্ষে সাড়া দেন। বর্তমান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ, আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যাপক আবু সাইয়্যিদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল বোস, সাংগঠনিক সম্পাদক মান্নানসহ অনেকেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত হন, আমাকে দল থেকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার জন্য। কিন্তু তাদের এ ষড়যন্ত্রও সফল হয়নি। অথচ আমাকে মাইনাস করার জন্য আমার দলের শীর্ষ এসব নেতাও সেসময় ‘র’-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করেন। এসব কথা আমার সব সময়ই মনে পড়ে। এজন্য ‘মে বি আই ক্যান ফরগিভ বাট নেভার ফরগেট’।

এ ব্যাপারে সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন নাম ধরে ধরে সমালোচনা করছিলেন তখন মন্ত্রিপরিষদে উপস্থিত সদস্যরা মাথা নিচু করে চুপ করেছিলেন। মন্ত্রিসভার এ সদস্য আরও বলেন, আমি এবার প্রথম এ ধরনের অভিজ্ঞতা পেলাম। প্রধানমন্ত্রী যে চোখে চোখ রেখে এভাবে কারও সমালোচনা করতে পারেন এবং অপ্রিয় সত্য কথা বলতে পারেন- এটা এবারই আমি প্রথম দেখলাম।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫

সমুদ্র গর্ভেই হারিয়ে যাবে বিশ্ব!

সমুদ্র গর্ভেই হারিয়ে যাবে বিশ্ব!

অবশেষে কি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। এবার এমনটাই সতর্কবার্তা দিচ্ছে নাসা। নাসার এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ হাতে এসেছে তাতে নিশ্চিত বিশ্বে সমুদ্রের জলস্তর দ্রুত বাড়ছে৷ আর আগামী ১০০ বছরের মধ্যেই সমুদ্রের জলস্তর অন্তত ১ মিটার বাড়বেই। আশঙ্কার কথা এই যে, বিশ্ব উষ্ণায়ণের জেরে যে হারে সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার কথা ছিল, তার চেয়ে অনেক দ্রূত হারে বাড়ছে জলস্তর৷এটা কোনওভাবেই আটকানো কিংবা বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।
সমুদ্রের জলস্তর ১ মিটার বাড়লে কী হবে?
বিজ্ঞানীদের মতে, ডুবে যাবে প্রশান্ত, ভারত মহাসাগরের অসংখ্যা দ্বীপ৷ সমুদ্র উপকূলবর্তী হাজারও শহর৷ হয়তো অস্তিত্বই থাকবে না ফ্লোরিডার মতো অনেক জনপদের৷ অচিরেই যার ফল ভুগতে হবে ১৫ কোটি মানুষকে৷ নাসার সমুদ্র জলস্তর নিয়ে গবেষণাকারী দলের প্রধান স্টিভ নেরেম জানিয়েছেন, ‘সাম্প্রতিক গবেষণায় যে তথ্য প্রমাণ হাতে এসেছে, তাতে আমরা নিশ্চিত ১০০ বছরের মধ্যে জলস্তর এক মিটার বাড়বেই৷ যার ফল ভুগতে হবে গোটা বিশ্ববাসীকে৷’
নাসার তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সমুদ্রের জলস্তর মাপা হয়েছে৷ তাতে দেখা গিয়েছে, জল যেমন বেড়েছে সমুদ্রে তেমনই জলে ভাসমান বরফের পাহাড়ের উচ্চতাও বেড়েছে৷ নাসার এই নতুন ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষার ফল নির্দিষ্ট শুধু নয়, একেবারেই নির্ভুল বলে দাবি করছেন গবেষকরা৷ তাঁরাই জানাচ্ছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ণের জেরে সমুদ্রের জলের তাপমাত্রাও দ্রূত বাড়ছে৷ যার জেরে আণ্টার্কটিকা, গ্রিণল্যান্ডের বরফের স্তর শুধু উপরিভাগ থেকেই নয়, জলের নীচ থেকেও গলছে৷ বরফ গলায় ওজন কমার ফলে বরফের পাহাড় ভেসে উঠছে৷ বাড়ছে উচ্চতা৷
গবেষকরা বেশি চিন্তিত গ্রিনল্যান্ডের বরফের স্তর নিয়ে৷ কারণ, তথ্য বলছে গত এক দশকে প্রতিবছর গ্রিনল্যান্ডে ৩০৩ ‌গিগাটন বরফ গলেছে৷ আণ্টার্কটিকায় গলেছে ১১০ গিগাটন৷
সমুদ্র বিশেষজ্ঞ জশ উইলস বলছেন, “আমরা যতটা ভেবেছিলাম গত কয়েক বছরে তার চেয়ে অনেক তাড়াতাড়ি বরফ গলেছে৷ আমাদের ধারণা, আগামী ২০ বছরে আরও দ্রূত হারে বরফের স্তর গলবে৷”
কিন্ত্ত কেন এত দ্রূত হারে গলছে বরফ, বাড়ছে জলস্তর তার কিছুটা এখনও রহস্য হয়ে রয়েছে গবেষকদের একাংশ৷

যুক্তরাষ্ট্রে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বাংলাদেশী মৌমিতার

যুক্তরাষ্ট্রে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বাংলাদেশী মৌমিতার

যুক্তরাষ্ট্রে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় স্টেট পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মৌমিতা খন্দকার। মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্রতিযোগিতায় নিউইয়র্কে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
প্রতি বছর মিস ইন্টারকন্টিনেল্টাল ইউএসএ প্রতিযোগিতা হলেও এবারের আয়োজনটি একটু ভিন্ন ধরনের। বেশ কয়েকটি রাউন্ড পেরিয়ে বহু প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মিস নিউইয়র্কের মুকুট বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মৌমিতা খন্দকার-এর।
অক্টোবরের নয় তারিখে মিস ইন্টারকন্টিনেল্টাল ইউএসএর ফাইনাল রাউন্ডে জয়ী হতে বাঙালিদের সমর্থন চেয়েছেন মৌমিতা।
মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল মুকুট জয়ী হলেও খন্দকার মাহবুব এবং ডিনা খন্দকারের মেয়ে মৌমিতা একজন চিকিৎসক হতে চান। আর বাংলা গান গাইতেও পছন্দ করেন তিনি।

‘কিরণমালা’ দেখতে না পেরে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

‘কিরণমালা’ দেখতে না পেরে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার জলসার সিরিয়াল ‘কিরণমালা’ দেখতে না পেরে সঞ্চিতা সাহা (২০)  নামে অনার্স পড়ুয়া এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সঞ্চিতা নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াবাড়ির চিত্ত রঞ্জন সাহার মেয়ে ও নীলফামারী সরকারী কলেজের অনার্স শ্রেণির ছাত্রী।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ‘কিরণমালা’ সিরিয়াল দেখা নিয়ে সঞ্চিতা ও তার ছোট বোন মল্লিকার (১১) ঝগড়া হয়। সঞ্চিতা ‘কিরণমালা’ দেখতে না পেয়ে রাগ করে নিজ ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়। সারারাত ও সকাল পার হয়ে দুপুর হলেও সঞ্চিতা ঘরের দরজা খোলেনি। অনেক ডাকাডাকির সাড়া না পাওয়ায় বাড়ির লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে ঘরের আড়ার সাথে সঞ্চিতার ঝুলন্ত  লাশ দেখতে পায়।

ডোমার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়েছি। নিহতদের পরিবার ও  এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরকানদের ঘোড়া আটকের কারণে হামলা হতে পারে : বিজিবি মহাপরিচালক

আরকানদের ঘোড়া আটকের কারণে হামলা হতে পারে : বিজিবি মহাপরিচালক

মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মিদের ১০টি ঘোড়া আটকের কারণে বান্দরবানের থানচির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সীমান্তচৌকি (বিওপি) ও টহল দলের ওপর বুধবার হামলাটি চালানো হতে পারে বলে ধারণা করছেন মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহেমদ।

বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তিনি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, মঙ্গলবার আরকান আর্মিদের ১০টি ঘোড়া আটক করে বিজিবি। এটা হামলার একটা কারণ হতে পারে। অথবা আরাকানরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীদের তাড়া খেয়ে বিজিবির সামনে পড়ে হামলা করে।

বুধবারের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মহাপরিচালক জানান, হামলার সময় আরাকান আর্মির দলে ৫০ থেকে ৬০ জন সদস্য ছিল। তারা ভারী অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়। বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা আক্রমণ করে। এ ঘটনায় একজন আরকান আর্মিকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তার হাতে কাটা ও শরীরের বিভিন্নস্থনে স্প্লিন্টারের ক্ষত রয়েছে।

গোলাগুলির ঘটনার পর ওই জায়গা থেকে রক্তাক্ত জামা-কাপড় ও বেল্ট পাওয়া যায়। এতে আরকান আর্মিদের ৮ থেকে ১০ জন সদস্য আহত হয়েছে বলেও জানা গেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিহত হতে পারে বলেও জানান বিজিবি প্রধান।

সংবাদ সম্মেলনে আজিজ আহমেদ বলেন, মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত বিজিবি ও সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘আরাকান লিবারেশন পার্টি’ ও ‘আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও অভিযান চালাচ্ছে।

ভারত-মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তের যোগাযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খারাপ নেই, যাতে আমরা এ ধরনের হামলা প্রত্যাশিত মনে করতে পারি। দুই দেশের মধ্যে সব সময় যোগাযোগ হয়ে থাকে। ঘটনার পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ করা হয়েছে। এবিষয়ে তারা আমাদের সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

কানাডার জাতীয় নির্বাচনে একমাত্র বাংলাদেশি প্রার্থী

কানাডার জাতীয় নির্বাচনে একমাত্র বাংলাদেশি প্রার্থী

ক্যালগেরি, ২৭ আগষ্ট- ক্যালগেরির একটি তেল কোম্পানিতে কর্মরত পেশাদার ভূ-তত্ববিদ নেওয়াজ খালিশ। তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি বাংলাদেশী কানাডিয়ান। ২০১৫ সালের ফেডারেল নির্বাচনে তিনিই একমাত্র বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রাজনীতিক, যিনি কানাডার নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন। মাগুরার মোহাম্মদপুরের আর এইচ কে এইচ ইন্সটিটিউশনের সাবেক শিক্ষার্থী নেওয়াজ খালিশ আলবারটার ক্যালগেরিতে বসবাস করেন। তবে তিনি যে নির্বাচনী এলাকা থেকে এনডিপির মনোনয়ন পেয়েছেন, সেই এলাকায় মাত্র কয়েকজন বাংলাদেশী বসবাস করেন। ক্যালগরি সিগনাল হিল এলাকায় এনডিপি পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। আগামী ১৯ অক্টোবরের নির্বাচনে এনডিপির হয়ে ভোটযুদ্ধে নামছেন নেওয়াজ খালিশ। হিল এলাকায় উৎসাহী মানুষদের কাছে পেছনে পড়ে থাকা নাগরিকের সহায়তা নিন্ম-মধ্যবিত্ত মানুষদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন আর কানাডার ভবিষ্যত প্রজন্মের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নেওয়াজ খালিশ।