বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন:ওবায়দুল কাদের।

নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন:ওবায়দুল কাদের।

১৬ সেপ্টেম্বর- নামে বেনামে গড়ে ওঠা গণমাধ্যম ও ‘ভুয়া’ সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রাজনীতিবিদদের মতো ‘হাইব্রিড’ সাংবাদিক তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে ওইসব সাংবাদিকরা যেন মূল ধারার সাংবাদিকদের কোণঠাসা করে ফেলতে না পারে সে বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি। বুধবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন ও গণমাধ্যম শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন এক সময়ের সাংবাদিক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “হাইব্রিড শুধু এখন রাজনীতিতে নয়, হাইব্রিড এখন সাংবাদিকতায়ও। শুধু মফস্বলে নয়, ঢাকায়ও আছে। “পরিচয়পত্র লাগিয়ে ঘুরঘুর করছে, খুব ব্যস্ত। বলি, আরে কি ব্যাপার, এত ব্যস্ততা কীসের? বলে, আমি সাংবাদিক। আই অ্যাম অ্য জার্নালিস্ট- খুব ভাব নিয়ে বলে।” “তো জার্নালিস্ট কোন কাগজে আছেন? কোন মিডিয়ায় আছেন? বলে, ফ্রিল্যান্স। এ রকম অনেক সাংবাদিকই আছে। মফস্বলে খবর নেন অনেকে ডিসি-এসপির অফিসে বসে থাকে। আমি কিন্তু সাংবাদিক কমিউনিটির উপর অ্যাটাক করছি না। এই কমিউনিটির উপর কেউ অ্যাটাক করলে আমি তা মেনেও নেব না।” সাংবাদিকতার নামে হাইব্রিড সাংবাদিকতা চলছে মন্তব্য করে কাদের। তিনি বলেন, “হাইব্রিড রাজনীতিতেও চলছে। বিলবোর্ড দেখলে মনে হয় বঙ্গবন্ধুর একটা ছবির সঙ্গে ৩৭টা ছবি। এরা কারা? কোত্থেকে এল এরা? বাংলাদেশ এখন নেতা উৎপাদনের কারখানা।” বাংলাদেশকে সাংবাদিক উৎপাদনেরও কারখানা হিসাবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিদিন নতুন নতুন সাংবাদিক দেখি। কোত্থেকে আসল? যারা রিয়েল জার্নালিস্ট, কষ্ট করেন, লেখাপড়া করেন, তাদের এসব সাংবাদিক (ভুয়া) দেখলে খারাপ লাগে; যেমন আমাদের পলিটিশিয়ানদের হাইব্রিড দেখলে খারাপ লাগে।” হাইব্রিড সাংবাদিকরা ভাল সাংবাদিকদের যেন কোণঠাসা করে ফেলতে না পারে সে বিষয়ে কর্মশালায় অংশ নেওয়া সাংবাদিকসহ উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। সাংবাদিকদের সমালোচনার সময় বামে বসা প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্ট ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে কাদের বলেন, “ডোন্ট মাইন্ড।” “এখন আর ভাল কথা নেই। ভাল কথার স্টক ফুরিয়ে গেছে, এখন আর গোডাউনে কোনো ভাল কথা নেই। এদেশে ভাল কাজের দৃষ্টান্ত খুব কম।” ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের আগে সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান প্রায় ৪০ মিনিট ধরে গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুল ধরে বক্তব্য দেন। নিজের বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “যেই একটা মাইক পায় ভাষণ দিতে শুরু করে।” এসময় হাসির রোল পড়ে সম্মেলন কক্ষে। মন্ত্রীও হাসতে হাসতে আবার বলেন, “মাইক পাইলেই ভাষণ দিতে শুরু করে।” সব জায়গায় বিভক্তি তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব দুইভাগ হয়ে গেছে, যা জীবনেও দুইভাগ ছিল না। সিলেটে দুইভাগ, ঘরও দুইটা হয়ে গেছে। এখানে (জাতীয় প্রেস ক্লাব) মশারির মধ্যে মশারি। রাজশাহীতে গিয়ে শুনলাম তারা চার ভাগ। “হাইব্রিড মানসিকতা বেশি করে গ্রো করেছে, ওয়াল বেশি করে উঠছে। পদ্মাব্রিজ তৈরি হচ্ছে কিন্তু আমাদের সম্প্রীতির সেতু তৈরি হচ্ছে না। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশ বিস্ময়কর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।” ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “আবারও আশা করার মতো আলোক রেখা আমি দেখলাম।” কোনো মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিব সৎ হলে ওই মন্ত্রণালয়ের ৫০ শতাংশ দুর্নীতি এমনিতেই কমে যাবে মন্তব্য করে কাদের বলেন, “আশপাশের লোক অপকর্ম করলে মন্ত্রী নিজেকে সৎ দাবি করতে পারেন না।” জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ফাইলের মান অনেক নিচুতে চলে গেছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “শুদ্ধ ফাইল খুব একটা পাই না। পড়লে আমি খুবই হতাশ হই। যারা বিসিএস কোয়ালিফাই করে এলো তাদের পড়াশোনার মান এত নিচে কী করে হয়?” সচিবালয়ে কর্মকরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিককে নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আয়োজিত দুই দিনের এই কর্মশালায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভুইঞা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, অর্থ বিভাগের জ্যেষ্ঠ মাহবুব আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আব্দুল মালেকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তব্য দেন। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এই কর্মশালা উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইকবাল সোবহান। 

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে।

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে।

১৬ সেপ্টেম্বর- কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসছে। কিছু কিছু স্থানে কড়াকড়ি থাকলেও বেশ কয়েকটি করিডর দিয়ে গত বছরের তুলনায় বেশি গরু এসেছে বলে জানা গেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, সারা দেশে খামারি ও সাধারণ মানুষের কাছে কোরবানির যোগ্য ৪০ লাখ হৃষ্টপুষ্ট গরু ও মহিষ আছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, এ বছর ৫০ লাখের মতো কোরবানি হতে পারে। এদিকে রাজধানী ঢাকার গরুর হাট এবং কোরবানি নিয়ে সিটি করপোরেশন ও পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার তাদের পরিকল্পনা জানিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, আগামী শনিবারের (১৯ সেপ্টেম্বর) আগে ঢাকায় গরু ঢুকতে দেওয়া হবে না। আর গরুর হাটগুলোকে তাদের চৌহদ্দির বাইরেও ছড়াতে দেওয়া হবে না। প্রতিবেশী দেশ ভারত তাদের সীমান্তে গরু ‘পাচারে’র ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করলেও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গত বছরের তুলনায় এবার বেশি ভারতীয় গরু এসেছে। গরু আসছে পূর্বের মিয়ানমার সীমান্ত দিয়েও। তবে সাতক্ষীরা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গরু কম আসছে বলে জানা গেছে। রাজশাহী কাস্টমস কমিশনারের কার্যালয়ের অধীনে ভারত থেকে গবাদিপশু আমদানির মোট আটটি করিডর রয়েছে। কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্টে উত্তরাঞ্চলের সাতটি করিডর দিয়ে ৩৬ হাজার ৩০৭টি গবাদিপশু বাংলাদেশে ঢুকেছে। এর মধ্যে গরু ২৭ হাজার। গত বছর এ সময়ে গবাদিপশু আসার সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩০৩। সুলতানগঞ্জ করিডর দিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১২ দিনে ৩ হাজার ৪০০ গরু-মহিষ ঢুকেছে। রাজশাহীর সবচেয়ে বড় গবাদিপশুর হাট হচ্ছে নগরের সিটি বাইপাস হাট। এই হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান বলেন, গত মাসেও ভারতীয় গরুর বড় চালান এসেছে শুনেছেন কিন্তু তাঁরা সেই গরু-মহিষ পাননি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা সরাসরি সুলতানগঞ্জ ও কানসাট থেকে নিয়ে চলে গেছেন। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ইসলামপুর শুল্ক করিডর দিয়ে গরু আসছে। কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৬০৭টি গরু আসে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫৫। কুড়িগ্রামের কাস্টম অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের জুলাই থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গরু এসেছে প্রায় ৬০ হাজার। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ৬৭৫। কক্সবাজারে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আগস্ট থেকে গতকাল পর্যন্ত গরু এসেছে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল সাড়ে চার হাজারের কম। বগুড়ায় এবার দেশি খামারিদের কাছ থেকে বেশি গরু পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা খন্দকার বজলুর রহমান বলেন, এবারের কোরবানির বাজার সামনে রেখে জেলার ১ হাজার ২৬১টি খামার ও কৃষকের বাড়িতে মোট ৭৬ হাজার ৮২২টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত বছর জেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার গরু এবং ৮৯ হাজার ছাগল ও ভেড়া কোরবানি হয়েছিল। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির হাটে গরু আসবে। ঢাকায় পুলিশের নির্দেশ: গতকাল কোরবানির ঈদ নিয়ে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক সভায় ডিএমপির কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ব্যবসায়ী, পরিবহন নেতারাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এবার ডিএমপির আওতার মধ্যে একটি স্থায়ীসহ ২৩টি পশুহাট বসবে। তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে পশুহাটের সংখ্যা ১৭। সভায় ডিএমপির কমিশনার আশ্বস্ত করেন, গরু হাটে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। চাঁদাবাজদের ধরার ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়সহ অন্য যেকোনো পরিচয়ই বিবেচনায় না নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় কমিশনার বলেন, এবারে গরুর হাটগুলোকে তাদের চৌহদ্দির বাইরে আসতে দেওয়া হবে না। হাটের ইজারার কাগজে উল্লেখিত নির্ধারিত সীমানার ভেতরেই হাটের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকেই হাটে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। তবে ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে ঢাকায় অস্থায়ী হাটগুলোর জন্য কোনো গরু ঢুকতে দেওয়া হবে না। হাটগুলোতে সিসি ক্যামেরা, পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থাকবে। তিনি বলেন, হাটগুলোতে প্রকাশ্য স্থানে পশু বিক্রির হাসিলের দর লিখে রাখতে হবে। আর পশু ব্যবসায়ীরা যে হাটে গরু নিতে চান, তাঁরা যেন সে হাটেই গরু নিতে পারেন, এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে পুলিশ। এ ক্ষেত্রে কোনো জবরদস্তি করা যাবে না। এমনকি বেশি টাকা পরিবহনের জন্যও পুলিশের সাহায্য নিতে পারবেন গরু ব্যবসায়ীরা। হাটের ব্যবসায়ীদের লেনদেনের সুবিধার্থে হাট এলাকার ব্যাংকগুলোতে সন্ধ্যাকালীন লেনদেনের সুবিধা থাকবে বলে সভায় জানানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে সান্ধ্য লেনদেনের সুবিধা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছিল। রাত নয়টা পর্যন্ত হাটের আশপাশের ব্যাংকগুলোতে সন্ধ্যাকালীন লেনদেন করা যাবে। সরকারি ছুটির দিনও ওই সব ব্যাংকে লেনদেন চলবে। হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণের ব্যবস্থা থাকবে। 
মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার।

মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার।

মক্কায় মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ রিয়াল অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার। এ ছাড়া যারা আঘাতের কারণে একেবারে স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন, তাদের ১০ লাখ রিয়াল ও আহত ব্যক্তিদের ৫ লাখ রিয়াল করে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার এক ফরমানে সৌদি বাদশাহ সালমান এ ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার মসজিদুল হারামের চতুর্থ তলায় ক্রেন ভেঙে পড়লে ১১১ জন নিহত হন। এ ছাড়া আহত হয় আরো ২৩৮ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বাংগালী। দুর্ঘটনায় যারা স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন তাদেরও একই পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে। আর যারা আহত হয়েছেন তাদের ৫ লাখ রিয়াল অর্থাৎ ১ কোটি ৪ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তবে সৌদি আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করলে যে অর্থ পাওয়ার কথা, এর মধ্যে তা অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ এটি কেবল সৌদি বাদশাহর পক্ষ থেকে দেওয়া ক্ষতিপূরণ।
রাজকীয় ওই ফরমানে আরো জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিবারের দুই সদস্যকে আগামী বছর সরকারি খরচে হজ করানো হবে। এ ছাড়া যারা আহত হওয়ার কারণে এবার হজ করতে পারছেন না, তাদের আগামী বছর রাজকীয় অতিথি হিসেবে হজ করানো হবে। যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের স্বজনরা যাতে সৌদিতে এসে তাদের সঙ্গে থাকতে পারেন, সে জন্য তাদের ভিসাও প্রদান করা হবে। সূত্রঃ-ইন্টারনেট ।

দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি ।

দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি ।

চাঞ্চল্যকর খবর! দাফনের ৭ বছর পর আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে ছোট বুড়ি । এমন সংবাদের  ছোট বুড়িকে দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করছে নারীপুরুষ। তবে আসল ছোট বুড়ি নাকি নকল বুড়ি তা নিয়ে নানা প্রশ্ন পরিবারের লোকজনের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নের সালকুপা গ্রামে।
সরেজমিন শালকোপাড়া গ্রামে গিয়ে জানা যায়, শালকোপা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ মোল্লার মেয়ে  ছোট বুড়ি (৬০) মানুষিক রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯০ সালের দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোজ হয়।  দীর্ঘ ১৫ বছর তার কোন খোজ ছিল না। হঠাৎ ২০০৫ সালের দিকে পরিবারের লোকজন খবর পায় ছোট বুড়ি সদর উপজেলার ছয়াইল গ্রামে বেড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এর পর পরিবারের লোকজন  তাকে সেখান থেকে ধরে বাড়িতে আনে।  এরপর পেরিয়ে যায় ৩ বছর। হঠাৎ একদিন  ছোট বুড়ি মারা যায়। দাফন করা হয় বাড়ির পাশেই। এ পর সবাই নিশ্চিন্তে ছিল। ৭ বছর পর আবার গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে ছোট বুড়ি কে সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া এলাকার মহিষাডাঙ্গা গ্রামে দেখা গেছে এমন খবর পেয়ে তার সেজো ভাই সদর উদ্দিন মোল্লাসহ অন্যরা সেখানে যায়। এবং দেখে তার বোনের মতোই চেহারার একটি মহিলা। এর পর তারা তাকে প্রশ্ন করে তোমার বাড়ি,তোমার বাবার নাম, তোমার ভাইদের নাম কি। একে একে সে উত্তর দেয়। এর পর তাকে আবার নিজ বাড়িতে আনে সদর উদ্দিন। এ ঘটনা জানাজানির পর এলাকার নারীপুরুষ ছোট বুড়ি কে দেখার জন্য ভিড় করছে তার বাড়িতে।
ঐ গ্রামের মরিয়ম বেগম, আলেয়া খাতুন জানান, অনেকে ধারণা করছে  ছোট বুড়ির আত্মা নিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে এসেছে। কিন্তু অলৌকিক কিছু ঘটেনি। আসলে আগের মরে যাওয়া ছোট বুড়ি হয়তো নকল ছিল।
ছোট বুড়ির ভাই সদর উদ্দিন মোল্লা জানান, আগে যখন তার বোন ভেবে ছোট বুড়ি কে নিয়ে আসা হয়েছিল তার সাথে নিজ বোনের হু বহু মিল ছিল। তার বোনের মতো কান কাটা-নাক টাকা ছিল যার প্রেক্ষিতে তাকে বাড়িতে আনা হয়েছিল। এক পর্যায়ে সে মারা যায় । আমরা তাদের বাড়ির পাশেই দাফণ করি। কিন্তু ৭বছর পর হঠাৎ করে আবার যখন আমরা আরেক ছোট বুড়িকে পাই তখন বুঝতে পারি এটাই আমাদের আসল বোন। তিনি আরো জানান,  বর্তমানে যে বোনটিকে পাওয়া গেছে সে মানুষিক রোগী হলেও আমাদের নাম,বাবার নাম বলতে পারে। কিন্তু আগে যাকে দাফন করা হয়েছে বুড়ি ভেবে সে কোন কথা বলতে পারতো না।
ঘোড়শাল ইউনিয়নের ১ নং ওয়াড্র্রে মেম্বর জাহিদুল ইসলাম দুদু জানান, ঘটনাটি জানার পর এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে যে ছোট বুড়িকে পাওয়া গেছে সেটিই আসল । আর যাকে আগে দাফন করা হয়েছিল সেজন নকল ছিল।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার

কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার

ঘটনাটি রাজধানী ঢাকার পূর্ব শেওড়াপাড়ার। চার থেকে পাঁচটি কুকুর নবজাতককে নিয়ে খেলছে। বাকি মানুষ নামধারীরা তা দেখছেন। এরই মধ্যে এক নারী কুকুরের মুখ থেকে কোলে তুলে নিলেন নবজাতককে, যেটি তারই মত আরেক মা ফেলে গেছেন ডাস্টবিনে। ঘটনাটি রাজধানী ঢাকার পূর্ব শেওড়াপাড়ার। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় এক নারী নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে পুরাতন বিমানবন্দর মাঠে স্থানীয় শিশুরা খেলা করছিল। এ সময় তারা দেখে ডাস্টবিন থেকে চার-পাঁচটি কুকুর কাপড়ে মোড়ানো একটি বস্তু নিয়ে খেলা করছে। কৌতুহলবশত শিশুরা এগিয়ে গিয়ে তাতে এক নবজাতককে দেখতে পায়। এরপর তারা আশেপাশের লোকদের বিষয়টি জানায়। স্থানীয়রাও ছুটে আসেন। কিন্তু সবাই দাঁড়িয়ে নবজাতক নিয়ে কুকুরের খেলা দেখছিল। এরই মধ্যে জাহানারা নামের এক নারী এগিয়ে গিয়ে নবজাতককে নিজের কোলে তুলে নেন। নবজাতকটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। এরপর আর দেরি না করে ওই নারী প্রথমে স্থানীয় আরএস হাসপাতালে, পরে আগারগাঁও শিশু হাসপাতাল ঘুরে সবশেষ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে শিশুটি সেখানকার নবজাতক ওয়ার্ডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) চিকিৎসাধীন। ঢামেক নবজাতক ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অবেদ হোসেন মোল্লা জানান, কন্যা শিশুটির বয়স এক বা দেড় দিন হবে, ওজন আড়াই কেজি। তার নাক ও ঠোঁটের ওপরের কিছু অংশ নেই। কুকুরের আঘাতে সেখানে ক্ষত হয়েছে। তিনি জানান, শিশুটির বাম হাতের দুই আঙ্গুলও ঝুলে আছে। এছাড়া শরীরেও ক্ষত হয়েছে। চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তুলতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। 
মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ

মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ

মক্কার মসজিদ আল হারামে ভয়াবহ ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিমা কোম্পানি। মঙ্গলবার বিমা বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে দেশটির আরবি দৈনিক আল হায়াত। বিমা কোম্পানি দুর্ঘটনায় নিহত ১০৭ ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে মোট ৩৩ মিলিয়ন রিয়াল বা ৬৭ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করবে বিমা কোম্পানি। এই টাকার পুরোটাই হারাম শরীফ সম্প্রসারণ প্রকল্পের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ব্লাড মানি হিসাবে প্রদান করবে। এ বিষয়ে ইন্স্যুরেন্স বিশেষজ্ঞ আদহাম জাদ বলেন, সৌদি আরবে ভ্রমণকারীদের জন্য ন্যূনতম ১ লাখ রিয়াল পর্যন্ত বিমা ঝুঁকি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য বড় ধরনের আপদকালীন সময়ে তা বাড়ানো হয়। উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় মক্কার পবিত্র মসজিদ আল-হারামের উপর ভেঙে পড়ে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি বিশালাকৃতির ক্রেন। এ ঘটনায় ১০৭ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হয় ২ শতাধিক হাজী।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ২য় বৃহত্তম আনন্দ উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা থেকে বলা হয়েছে, সোমবার দেশের আকাশ সীমায় কোথাও পবিত্র জ্বিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আরবী মাসের নিয়ম অনুযায়ী বুধবার থেকে পবিত্র জিলহাজ্ব মাস শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ঈদুল-আজহা অনুষ্ঠিত হবে। 
বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায়

বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায়

আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতাল থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে। মন্ত্রীর পরিবার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর ছোট ভাই সৈয়দ সলমান আলী জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে তার প্রথম নামাজে জানাজা শেষে মন্ত্রীর মরদেহ মৌলভীবাজার শহরের দর্জিরমহল এলাকায় তার বাড়িতে আনা হবে। সেখানে জানাজা শেষে স্থানীয় শাহ মোস্তফা মাজারে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, নিউমোনিয়া, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন মন্ত্রী। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫ সেপ্টেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে মারা যান তিনি।
জানা গেছে, সৈয়দ মহসিন আলী তিন মেয়ে, স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বাবা সৈয়দ আশরাফ আলী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তার মায়ের নাম আছকিরুনন্নেছা খানম। মৌলভীবাজার থেকে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে কলকাতা যান আশরাফ আলী। কলকাতার আলীপুরে ছিলো তার বিশাল বাড়ি। সেই বাড়িতে ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ মহসিন আলী। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে মহসিন আলী সবার বড়।
অবশেষে বৃষ্টিতে ভিজে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

অবশেষে বৃষ্টিতে ভিজে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বরে বৃষ্টিতে ভিজে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল থেকেই তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। বিকেলে বৃষ্টি এলেও তারা সেখান থেকে সরে যাননি। এ এলাকায় অবস্থিত স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ মেডিক্যাল, নর্দার্ন মেডিক্যাল, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনিভার্সিটি, শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটির শত শত শিক্ষার্থী নানা ধরনের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। তারা ‘ভ্যাট দেব না, গুলি কর’ ‘আমার বাবা এটিএম বুথ নয়’ প্রভৃতি শ্লোগান দিচ্ছেন। এদিকে, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিসহ আরো কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-৫০০ শিক্ষার্থী এসে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। তারা র‌্যালি নিয়ে আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এসে বিক্ষোভ করবেন। রাস্তার ওপর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে ওই এলাকায় যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। 

২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

রোববার সৌদি আরবের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় জিলক্বদ মাসের ৩০দিন পূর্ণ হলো। আর তাই ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সৌদি সুপ্রিম কোর্ট রাজকীয় ফরমান জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নবী ইব্রাহীম (আ.) কে স্বপ্নে তাঁর সব চেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি করার নির্দেশ দেন। এই আদেশ অনুযায়ী ইব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করার জন্য প্রস্তুত হলে আল্লাহ তায়ালা তার পরিবর্তে পশু কোরবানির আদেশ দেন। এ ঘটনাকে স্মরণ করেই সারা বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর ঈদুল আজহা পালন করে।  হিজরি বর্ষপঞ্জি হিসেবে জিলহজ মাসের ১০ তারিখ থেকে শুরু করে ১২ তারিখ পর্যন্ত ৩ দিন ধরে ঈদুল আজহা চলে। হিজরি চন্দ্র বছরের গণনা অনুযায়ী ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার মাঝে দুই মাস ১০ দিনের ব্যবধান থাকে। দিনের হিসেবে যা সর্বোচ্চ ৭০ দিন পর্যন্ত হতে পারে।