রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মক্কায় মসজিদে আল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি

মক্কায় মসজিদে আল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি

মক্কায় মসজিদে আল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি হজযাত্রীকে শনাক্ত করা হয়েছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাসের বরাত দিয়ে ইউএনবি জানায় নিহত ব্যক্তি একজন হজযাত্রী। তাঁর নাম আবুল কাশেম (৪৫), বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে। তাঁর পাসপোর্ট নম্বর বি ই ০১৯১৫৮৬, হাজি নম্বর ০২০৪২২৬ ও মক্তব নম্বর ১১১, গাইডের নাম নবাব মিয়া।
এরই মধ্যে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এ কে এম শহীদুল করিম।
উল্লেখ্য, মক্কার শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝড়ো বাতাস ও ধূলিঝড় প্রবাহিত হওয়ার সময় পবিত্র মসজিদ আল-হারামের ওপর ভেঙে পড়ে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি বিশালাকৃতির ক্রেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং আরো অন্তত ২৩০ জন আহত হয়েছে।
শনিবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সৌদির বাদশাহ সালমান। হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে তিনি দেখাও করেছেন। এই দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে, তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তবে বিবিসি জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই আতঙ্কিত মানুষের ছোটাছুটির কারণে পদপিষ্ট হয়ে এবং মসজিদের ভেতরে ছাদের ভগ্নাংশের নিচে চাপা পড়ে ঠিক কত মানুষ আহত হয়েছে তার প্রকৃত সংখ্যা এখনো নির্ণয় করা যায়নি।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বাসচালকের ছেলে সাদিক খান যুক্তরাজ্যের সাবেক ছায়া বিচারমন্ত্রী ও বর্তমানে লেবার পার্টি থেকে টুটিংয় এলাকার এমপি।

বাসচালকের ছেলে সাদিক খান যুক্তরাজ্যের সাবেক ছায়া বিচারমন্ত্রী ও বর্তমানে লেবার পার্টি থেকে টুটিংয় এলাকার এমপি।

ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড নামে যুক্তরাজ্যের একটি সংবাদপত্র ও ব্রিটিশ লেবার পার্টির ফেইসবুক সূত্রে জানা যায়, এক সময়ের বাসচালকের ছেলে সাদিক খান যুক্তরাজ্যের সাবেক ছায়া বিচারমন্ত্রী ও বর্তমানে লেবার পার্টি থেকে টুটিংয় এলাকার এমপি।
তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেম টেসা জাওয়েলসহ পাঁচ প্রতিদ্বন্দ্বীকে ভোটে হারিয়ে প্রধান বিরোধী দলের মনোনয়ন পেলেন। 
শুক্রবার লন্ডনের রয়েল ফেস্টিভ্যাল হলে লেবার পার্টির প্রার্থী বাছাইয়ের পঞ্চম দফায় ৪৮,১৫২ ভোট পেয়েছেন। অর্থাৎ ৫৮.৯ শতাংশ সদস্যের সমর্থন পেয়েছেন সাদিক খান।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে সাবেক মন্ত্রী জাওয়েল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩,৫৭৩ ভোট পেয়ে ৪১ দশমিক ১ শতাংশ সদস্যের সমর্থন পেয়েছেন।
এদিকে, ফলাফল ঘোষণা পরপর সাদিক খানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ডেম টেসা জাওয়েলসহ অন্য চার প্রতিদ্বন্দ্বি।
লেবার দলীয় মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পরপর সাদিক খান বলেন, “আজ লন্ডনের এতো অধিবাসী আমার উপর আস্থা রেখেছে,তাই আমি তাদের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আশা রাখছি আমরা একসঙ্গে লন্ডনকে পরিবর্তন করতে পারব।”
লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থীদের মাঝে সাদিক খান
ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড জানায়, যুক্তরাজ্যের রাজধানীতে গত আট বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টিকে আবার ক্ষমতায় আনতে লড়বেন তিনি। বর্তমান কনজারভেটিভ পার্টির বরিস জনসন এখানকার মেয়র। ২০১৬ সালের মে মাসে লন্ডনের মেয়র পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত। তবে, এবার প্রার্থী হচ্ছেন না বরিস জনসন। 
এ মাসের শেষদিকেই কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী ঘোষণার কথা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থিতার দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন জ্যাক গোল্ডস্মিথ ও সৈয়দ কামাল নামে আরেক মুসলিম।

মক্কায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১০৭ জনে

মক্কায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১০৭ জনে


সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরের হারাম শরিফে ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১০৭ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন ২৩৮ জন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ বাংলাদেশি রয়েছেন। 
আজ শনিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মক্কার স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিশালাকারের ক্রেনটি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। 
সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রচণ্ড ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মাগরিবের নামাজের আগে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। 
দুর্ঘটনার সময় হারাম শরিফ মুসল্লিতে পরিপূর্ণ ছিল। তাঁদের অধিকাংশই হজ পালনের উদ্দেশে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সমবেত হওয়া মুসল্লি বলে ধারণা করা হচ্ছে। পবিত্র হজ শুরুর অল্প কয়েক দিন আগে এ দুর্ঘটনা ঘটল। 
বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রধান জেনারেল সুলেইমান আল-আমর বলেন, ‘হতাহত সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে আর কোনো হতাহত ব্যক্তি নেই।’ 
দুর্ঘটনাস্থলে সৌদি আরবের জরুরি উদ্ধার কর্মীরা। ছবি: এএফপিএই কর্মকর্তার ভাষ্য, শক্তিশালী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে গাছ উপড়ে পড়ায় ক্রেনটি আছড়ে পড়েছে। 
গতকাল রাত সাড়ে ১২টায় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ্ প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় ৪০ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে পাঠানোর পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ গুরুতর আহত হননি। 
এ ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব ও ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক তথ্য এখন পর্যন্ত জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। 
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিশাল ক্রেনের অংশ। 
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হারাম শরিফের চতুর্থ তলায় আছড়ে পড়ে ক্রেনটি। 
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর অনেকের রক্তাক্ত দেহ হারাম শরিফের মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। কারও কারও দেহ চাপা পড়ে আছে ধ্বংসস্তূপের নিচে। 
ইউটিউবে পোস্ট করা এক ছবিতে দুর্ঘটনার পর আতঙ্কিত মুসল্লিদের কাউকে কাউকে কান্না ও ইতস্তত ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। পবিত্র মক্কা নগরের গ্র্যান্ড মসজিদের এই ছবিটি গত ১৪ জুলাই ওপর থেকে তোলা। ছবি: রয়টার্স
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। 
গতকাল জুমার দিন হওয়ায় হারাম শরিফে মুসল্লিদের ভিড় স্বাভাবিকভাবেই অন্য দিনের তুলনায় বেশি ছিল। হজের উদ্দেশে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লাখো হাজিও এরই মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন সেখানে। 
অধিক সংখ্যক মুসল্লি যাতে পবিত্র হজ সম্পাদন করতে পারেন, এ জন্য হারাম শরিফ কমপ্লেক্সের আয়তন বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। নির্মাণকাজের জন্য হারাম শরিফের চারপাশে অনেক ক্রেন বসানো হয়েছে। 
গতকালের দুর্ঘটনার আগে ২০০৬ সালে হজের সময় পদদলিত হয়ে শতাধিক হাজির মৃত্যু ঘটে।

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৌদি আরবে বিমান হামলায় মৃত্যু হল ২০ জন ভারতীয়ের

সৌদি আরবে বিমান হামলায় মৃত্যু হল ২০ জন ভারতীয়ের

 সৌদি আরবে বিমান হামলায় মৃত্যু হল ২০ জন ভারতীয়ের। জ্বালানি মাফিয়াদের উপর হামলা চালাতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২০ জন সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীর।
সোমবার একই হামলায় সানায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে চলছে এই বিমান হানা। গত শুক্রবারের বিমান হানা সবথেকে ভয়ঙ্কর ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তাতেই মৃত্যু হয়েছে ২০ জন ভারতীয়ের।
জানা গিয়েছে, দুটি নৌকাকে লক্ষ্য করে বিমান থেকে গুলি চলতে শুরু করে। আল খোখা নামে একটি বন্দরের কাছে এই ঘটনা ঘটে। এই বন্দর ভারতীয়রাই মূলত ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ১০,০০০ সেনা এই হামলায় যোগ দিয়েছে।

এবার পুরুষদের দাঁড়ি নিয়ে গবেষনা বিজ্ঞানীদের ।

এবার পুরুষদের দাঁড়ি নিয়ে গবেষনা বিজ্ঞানীদের ।

পুরুষদের দাড়ি রাখা নিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় বিধিবিধান থাকলেও বৈজ্ঞানিকভাবে এটি নিয়ে এখনো তেমন বিচার বিশ্লেষন লক্ষ করা যায়নি। সম্প্রতি এই দাড়ি নিয়ে গবেষণায় নামতে যাচ্ছেন ব্রিটেনের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ্যালান ওয়াইদি।
 অধ্যাপক এ্যালান ওয়াইদি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, 'বিশ্বব্যাপী পুরুষদের ক্ষেত্রে দাড়ি রাখার প্রবণতা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। আবার কমেও যাচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। দাড়ি নিয়ে মানব সমাজে নানা সংস্কৃতি বিদ্যমান রয়েছে। তাই আমার আগামী গবেষণার বিষয়বস্তু হবে দাড়ি। পাশাপাশি দাড়ির সাথে পুরুষত্ব এবং স্বাস্থ্যের সম্পর্ক এবং দাড়ি কামানোর প্রযুক্তিগত বিবর্তন সবই উঠে আসবে এ গবেষণায়।'
এর আগে দাড়ি নিয়ে সিডনির একদল গবেষক জরিপ চালান। জরিপে গবেষকরা দেখেন যে পুরুষদের মধ্যে দাড়ি রাখার প্রবণতা যখন তুমূলভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে, ঠিক তার পরপরই আবার কমতে থাকে এর জনপ্রিয়তা। দাড়ি কম রাখার কারণ হিসবে গবেষকরা দেখিয়েছিলেন, অদেখা বিষয়ের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি লক্ষ করা যায়। যখন সমাজের বেশি সংখ্যক মানুষ দাড়ি রাখার প্রতি আগ্রহী হয় তখন মেয়েদের চোখে দাড়ি- না-রাখা লোকদেরকেই বেশি আকর্ষণীয় মনে হতে থাকে।
আবার ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের চালানো এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখানো হয়, দাড়িওয়ালা বা দাড়ি কামানো মুখ যখন যেটা সবচেয়ে কম দেখা যাবে সেটি তখন ততটাই জনপ্রিয় হবে। সুতরাং ২০১৪ সাল পর্যন্ত দাড়িওয়ালা মুখ জনপ্রিয় থাকলেও এখন আবার সেটিতে ভাটা পরতে শুরু করেছে।
দাড়ি নিয়ে এই সব মন্তব্যই ড. উয়াইদিকে দাড়ি নিয়ে গবেষণার প্রতি উৎসাহী করেছে। এটি নিয়ে উৎসাহের কারণ হিসবে তিনি আরো একটি বিষয়কে উল্লেখ করেন। সেটি হলো, অনেক আগে থেকেই কিছু মানুষের ধারণায় ছিল নোংড়া লোকেরাই দাড়ি রাখে এবং এটি একটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। ড. ওয়াইদির প্রশ্ন হলো, দাড়ি যদি এমনটিই হতো তাহলে যুগ যুগ ধরে দাড়ির প্রতি মানুষের এতো আগ্রহ চলে আসছে কেন। 
যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াকে ত্রাণসহায়তা দেয়ার জন্য গ্রিসের আকাশসীমা এড়িয়ে যাবে রাশিয়া।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াকে ত্রাণসহায়তা দেয়ার জন্য গ্রিসের আকাশসীমা এড়িয়ে যাবে রাশিয়া।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াকে ত্রাণসহায়তা দেয়ার জন্য গ্রিসের আকাশসীমা এড়িয়ে যাবে রাশিয়া। গত রোববার আমেরিকা রুশ বিমানের জন্য গ্রিসের আকাশসীমা বন্ধ করে দিতে এথেন্সের প্রতি আহ্বান জানানোর পর মস্কো এমন পরিকল্পনা নিচ্ছে।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রিসের এক কর্মকর্তা জানান, সিরিয়া অভিমুখী মানবিক ত্রাণবাহী রুশ বিমানগুলো গ্রিসের পূর্বের আকাশসীমা ব্যবহার করবে। এর অর্থ হচ্ছে রুশ বিমানগুলোর জন্য আর গ্রিসের আকাশসীমা ব্যবহার করার দরকার হবে না।

রোববার গ্রিসে মার্কিন দূতাবাস দেশটির সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে, রাশিয়ার বিমানের জন্য গ্রিসের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়া হোক। তবে, গ্রিস সরকার এখনো এ আহ্বানে সাড়া দেয় নি। গ্রিসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন আহ্বানের কথা স্বীকার করেছেন। মার্কিন ওই বক্তব্যের জবাবে রুশ সরকার সিরিয়ায় মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বলেছে, তারা বিমানের জন্য বিকল্প রুট ব্যবহার করবে।

প্রচণ্ড মরুঝড়ে মধ্যপ্রাচ্য বিপর্যস্ত

প্রচণ্ড মরুঝড়ে মধ্যপ্রাচ্য বিপর্যস্ত

প্রচণ্ড মরুঝড়ে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্য বিপর্যস্ত হয়েছে।
মরুঝড়ে লেবাননে দুই জন নিহত হয়েছে। আহত কয়েকশ’ মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু লেবানন নয়, মরুঝড় আঘাত হেনেছে পার্শ্ববর্তী দেশ সিরিয়াতেও। খবর রয়টার্সের। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেছেন, মরুঝড়ের কারণে দুই জন নিহত হয়েছে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাড়ে সাতশ’ রোগী। নারী, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক এবং শিশুদের মরুঝড়ের মধ্যে বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন না হলে ঘরের মধ্যে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
মরুঝড়ের কারণে ইসরাইল, জর্ডান ও সাইপ্রাসে ধূলার মেঘ তৈরি হয়। ৫০০ মিটারের বেশি দূরের কোন কিছু না দেখতে পাওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের বিমান যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। সাইপ্রাস আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এর আগেও আমরা মরুঝড় দেখেছি তবে এতো বড় আগে কখনোই নয়। বছরের এই সময়ে এই ধরনের মরুঝড় খুবই বিরল ঘটনা।

তুরস্ক সৈকতের মর্মস্পর্শী দৃশ্য

তুরস্ক সৈকতের মর্মস্পর্শী দৃশ্য

তুরস্ক সৈকতের মর্মস্পর্শী দৃশ্য ফিরে এল মরক্কোর তটভূমিতে। সিরিয়ার তিন বছরের শরণার্থী আয়লান কুর্দির স্মরণে রাবাত বিচে উপুর হয়ে শুয়ে পড়লেন মানুষজন। যা আরোএকবার উস্কে দিল শরণার্থীদের সঙ্কট ও তাদের প্রতি বিদ্বেষের বাস্তব বিতর্ককে।
গত সপ্তাহে গোটা বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে সমুদ্র সৈকতে সিরিয়ার শিশু আয়লান কুর্দির মৃতদেহ পড়ে থাকার মর্মস্পর্শী ছবি। দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে নৌকা করে ইউরোপের পথে যাত্রা করেছিলেন সিরিয়ার হাজার হাজার শরণার্থী। তখনই ডুবন্ত এক নৌকা থেকে বাবার হাত ফসকে অতল সমুদ্রে পড়ে যায় আয়লান ও তার পাঁচ বছরের ভাই।
পরের দিন তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে লাল টি-শার্ট ও জিন্স পরা আয়লানের মৃতদেহ উদ্ধারের পর, সন্তানহারা বাবার হাহাকারে ডুকরে কেঁদে উঠেছিল বিশ্ববাসীও। সোশ্যাল মিডিয়ায় একরত্তি ওই শিশুর এমন পরিণতির ছবি উস্কে দিয়েছিল শরণার্থী বিতর্ককে।
সোমবার সেই বিতর্ককেই খুঁচিয়ে তুলে, মরক্কোর সৈকতে লাল টি-শার্ট ও নীল প্যান্ট পরে উপুর হয়ে শুয়ে পড়েন জনা তিরিশেক মানুষ। এক আশ্চর্য প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্বকে আরও একবার মনে করিয়ে দেন সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের কথা।
আয়লানের স্মরণে এই অভিনব উদ্যোগে সহযোগী ভূমিকা নেন মরক্কোর অভিনেত্রী ললিফা আহরার। তিনি বলেন, শিল্পী হিসেবে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানানো আমার কর্তব্য। তাই আমার সহকর্মীদের নিয়ে এখানে এসেছি। একটা সামান্য ভঙ্গি যে কতটা ইঙ্গিতবাহী হতে পারে, সেটাই জানাতে চেয়েছি।

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মাটির নিচে গ্রাম!

মাটির নিচে গ্রাম!

মাটির নিচে গ্রাম! ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। রূপকথার মতো এই গ্রামটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে একটি আস্ত শহরই গড়ে উঠেছে মাটির নিচে। কুবের পেডি নামের ওই শহরটি আর পাঁচ আধুনিক শহরের মতোই। অ্যাডিলেড থেকে ৮৪৬ কিলোমিটার উত্তরে। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসবাস শহরটিতে। যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!
এই শহরটির জন্ম ১৯১৫ সালে। শহরটির মূল বৈশিষ্ট হল বহুমূল্য রত্নের খনি। opal নামক রত্নটি বিশ্বের ৯৫ শতাংশই পাওয়া যায় কুবের পেডি এলাকা থেকে। শহরটিতে বাইরে থেকে দেখলে তাজ্জব হতে হয়। চারিদিক জনমানব শূন্য। স্থানে স্থানে গুহা। সেই গুহাগুলি থেকে নেমে গিয়েছে সুড়ঙ্গের মতো সিঁড়ি। সেই সিঁড়ি চলে গিয়েছে গভীরে। সিঁড়ি ধরে নীচে নামলেই রূপকথা! যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!অত্যাধুনিক বাসস্থান। উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম। রয়েছে দামি হোটেল। সুইমিং পুল।

কেন এই শহর মাটির তলায়?
অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলে তীব্র গ্রীষ্মের দাপট। গ্রীষ্মকালে কুবের পেডি এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাই সেখানকার মানুষ সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!


সবচেয়ে বড় পুরুষাঙ্গ তার দাবী করে গিনিসে নাম চান রবার্ট

সবচেয়ে বড় পুরুষাঙ্গ তার দাবী করে গিনিসে নাম চান রবার্ট

৫২ বছর বয়সী রবার্ট এসকুইভেল ক্যাবরেরা চান নিজের নামটা গিনিস বুকে লেখা থাকুক। কারণ তার দাবি বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরুষাঙ্গ তারই। যার দৈর্ঘ্য ১৮ দশমিক ৯ ইঞ্চি।
এরআগে জোয়ান ফেলকন বিশ্বের সব থেকে বড় পুরুষাঙ্গের অধিকারী ছিলেন। তার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ছিল ১৩ দশমিক ৫ ইঞ্চি। 





তবে রবার্টের ক্ষেত্রে বাধ সাধলেন চিকিৎসকরা। তারা জানিয়েছেন, রবার্টের পুরুষাঙ্গ ১৩ ইঞ্চি পর্যন্ত চামড়ার ভেতরে রয়েছে। এক্সরে করার পরই ধরা গেছে যথাযথ দৈর্ঘ্য। 
এদিকে নিজের পুরুষাঙ্গ নিয়ে রীতিমত বিরক্ত রবার্ট। কারণ তিনি ঠিক মতো কাজ করতে পারছেন না। এমনকি কোনো নারীও তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায় না।