শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৬

পৃথিবী জুড়ে স্বর্গীয় সৌন্দর্যে রঙিন ১৫ টি স্থান

পৃথিবী জুড়ে স্বর্গীয় সৌন্দর্যে রঙিন ১৫ টি স্থান

পৃথিবী জুড়ে স্বর্গীয় সৌন্দর্যে রঙিন ১৫ টি স্থান

আমরা অনেকেই জানি পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে রয়েছে অতুলনীয় সৌন্দর্যের অসাধারণ সব স্থান। কিন্তু অনেকগুলো স্থানের অবস্থান আমাদের কাছে অজানা। আবার আমরা অনেকেই জানি না এই সকল স্থানের আসল সৌন্দর্য কি ধরণের স্বর্গীয় হতে পারে। আসলেই এই প্রিয় পৃথিবীটার অনেক কিছুই আমাদের চোখের আড়ালে রয়ে যায়। নয়ন জুড়িয়ে দেখার সাধ্য অনেকেরই হয়ে উঠে না।কিন্তু আফসোস করার কিছুই নেই। পৃথিবীর বুকে এই সকল স্বর্গীয় সৌন্দর্যের স্থানের সন্ধান দিতে এবং এক নজর দেখার সাধ মেটাতে আমরা রয়েছি আপনাদের পাশে। তাই আমাদের আজকের ফিচারে দেখে নিন এমনই অসাধারণ সৌন্দর্যের ১৫ টি স্থান। 
হলুদ ক্যানোলা ফুলের সমাহারে ছেয়ে গিয়েছে মাইলের পর মাইল জায়গা। এই স্থানটির নাম ক্যানোলা ফ্লাওয়ার ফিল্ড। চীনের ইয়ুন্নানে অবস্থিত এটি। 
অসাধারণ রঙের খেলা লেকের পানিতে। দেখে মনে হয় আকাশের রঙধনু নেমে এসেছে পৃথিবীর বুকে। মর্নিং গ্লোরি নামক এই লেকটি ইয়েলো স্টোন ন্যাশনাল পার্ক, ইউএসএ। 
আকাশ আর মাটির মিলন মনে হয় একেই বলে। নীল ফুলে ছেয়ে থাকা দিগন্ত বিস্তৃত এই জায়গাটির নাম হিতাচি সিসাইড পার্ক। এর অবস্থান হিতাচিনাকা, ইবারাকি, জাপান। 

প্রথম দেখায় যে কেউ মনে করতে পারেন এটি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোনো কাজের খেলা। কিন্তু আসলেই ফ্লাই গেইসার নামক নর্দান নাভাডার এই স্থানটি এতোটা রঙিন। 

সবুজে সুন্দর। সাগানো ব্যাম্বো ফরেস্ট এটি। এর অবস্থান আরাসিয়ামা, জাপান। 

গোলাপি রঙের স্থানটি দেখে যে কেউ অন্য কিছু ভাবতে পারেন। কিন্তু আসলে এটি একটি লেক। লেক হিলার মিডেল আইসল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত। 
ইতালির ভেনিস শহরের বুরানো স্থানটির মতো রঙিন বাড়িঘর পুরো পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া মনে হয় আসলেই দুষ্কর।
স্বর্গের জলধারা বলা হয় এই হাভাসু ফলসকে। এটি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, অ্যারিজোনায় অবস্থিত। 

রঙিন পাহাড়ের দেশে। সাউথ ওয়েস্ট চীনের অসাধারণ একটি স্থান ঝাংইয়েই ডানজিয়া।

পাথরের কারুকাজ। দেখে মনে হয় কেউ মনের মাধুরি মিশিয়ে অনেক সময় নিয়ে কাজ করেছেন এই অ্যান্টেলোপ ক্যানিয়নে। কিন্তু পুরোপুরি প্রাকৃতিক অ্যারিজোনার এই ক্যানিয়নটি। 

পুরো জাপানের আনাচে কানাচেই রয়েছে অনেক অসাধারণ স্থান। এই ডিয়াগো-জি টেম্পলটি তারই প্রমাণ। এটি জাপানের কিয়োতোতে অবস্থিত।
বলে না দিলে কারো বিশ্বাসই হবে না লাল রঙে ছেয়ে থাকা এই অসাধারণ স্থানটি একটি সমুদ্র সৈকত। পানজিন রেড বীচের অবস্থান চীনে। 

প্রায় ২.৫ একর স্থান জুড়ে ফুটে রয়েছে সিবাজাকুরা ফুল। তাকিনোউ পার্কটি সত্যিই স্বর্গের সৌন্দর্যে তৈরি। এর অবস্থান হাক্কাইডো জাপান। 
স্বর্গ থেকে নেমে আসা এই জলের ধারা যেন পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। নীল রঙের ছড়াছড়ির এই স্থানটির নাম ম্যান্ডেনহল আইস কেইভ। এই গুহাটি জুনেউ, আলস্কায় অবস্থিত।

কভারে যে ছবিটি দেখছেন এটি কাওয়াচি ফুজি গার্ডেন। এটির অবস্থান কিটাকায়ুসু, জাপান। ল্যাভেন্ডার রঙে ছেয়ে থাকা এই টানেলটি আসলেই স্বপ্নময়। তাই নয় কি? 

আগামীকাল শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সাড়ে ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বেলা দুইটা পর্যন্ত সাত দিন বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে

আগামীকাল শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সাড়ে ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বেলা দুইটা পর্যন্ত সাত দিন বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে

সাবমেরিন কেব্‌লের সিঙ্গাপুর প্রান্তে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সাত দিন বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সাড়ে ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বেলা দুইটা পর্যন্ত সাবমেরিন কেব্‌লের সিঙ্গাপুর প্রান্তের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। এ কারণে বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা সাময়িক বিঘ্নিত হতে পারে। তবে এ সময়ের জন্য বিটিসিএলের গ্রাহকদের ইন্টারনেট সেবা বিকল্প ব্যবস্থায় চালু রাখা হবে।
গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বিটিসিএল দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ভারতকে পরমাণু বোমার ভয় দেখাচ্ছে নওয়াজ শরিফ সরকার?

ভারতকে পরমাণু বোমার ভয় দেখাচ্ছে নওয়াজ শরিফ সরকার?

সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে কেন বারবার ভারতকে পরমাণু বোমার ভয় দেখাচ্ছে নওয়াজ শরিফ সরকার?
তাদের দেশের নিরাপত্তা সঙ্কটে পড়লে ভারতের উপরে পরমাণু বোমা ফেলতে দু’বার ভাববে না পাকিস্তান। গোটা বিশ্ব এবং
উপমহাদেশে কোণঠাসা হয়ে গিয়ে ফের পুরনো অস্ত্রেই ভারতকে ভয় দেখানো শুরু করল পাকিস্তান। এবার এই হুমকি দিয়েছেন
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা মহম্মদ আসিফ।
পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দাবি করেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রগুলি তাঁরা
নিজেদের দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য বানিয়েছেন। তাই প্রয়োজনে পরমাণু বোমা ফেলে ভারতকে তাঁরা নাস্তানাবুদ করে
দেবেন বলেও হঁশিয়ারি দিয়েছেন এই পাক মন্ত্রী। কিছুদিন আগেও অবশ্য একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন এই মন্ত্রী। কিন্তু তারপরেও
সন্ত্রাসবাদীদের প্রশয় দেওয়ার জন্য গোটা বিশ্বে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ইসলামাবাদকে। ভারতের কৌশলে পাকিস্তান
থেকে বাতিল হয়ে গিয়েছে সার্ক সম্মেলন। তাই সেই পরমাণু বোমার জুজু দেখিয়ে পাক জনতার সামনে নিজেদের মুখ বাঁচানোর চেষ্টা
করছেন নওয়াজ শরিফের মন্ত্রীরা। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতেও তাঁরা তৈরি বলে জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের
প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, উরি হামলার পরে যখন পাকিস্তানের হাতে ভারত একাধিক প্রমাণ তুলে দিয়েছে, সেইগুলি খতিয়ে দেখে
সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে কেন বারবার ভারতকে পরমাণু বোমার ভয় দেখাচ্ছে নওয়াজ শরিফ সরকার? বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, আসলে পাকিস্তানের মন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রমাণ করে, তাঁরা কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন। মঙ্গলবার আমেরিকার ডাকোটায়
পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আলোচনাসভায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব অ্যাশটন কার্টারও ভারতকে একটি
দায়িত্বশীল পরমাণু শক্তিধর দেশ বলে প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা চিন্তার বিষয় বলেই
উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব। এর থেকেই বোঝা যায়, ভারত-পাকিস্তান দু’দেশের হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র
থাকলেও বারবার নিজেদের সেই শক্তিকে জাহির করে আসলে গোটা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি খারাপ করছে ইসলামাবাদ।
টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশেই।  গোলাগুলিতে ০২ (দুই) পাকিস্তানী সেনা নিহত ।

টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশেই। গোলাগুলিতে ০২ (দুই) পাকিস্তানী সেনা নিহত ।

নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর (লাইন অব কন্ট্রোল) ভারতীয় বাহিনী কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই পাকিস্তানি অবস্থানে গুলিবর্ষণ করেছে বলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে। আর ভারতীয় গুলিতে তাদের দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে।পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আইএসপিআর জানায়, ভারতীয় বাহিনী ভিমবার, হটস্প্রিং, কেল ও লিপা সেক্টরে গুলি চালিয়েছে। তবে পাকিস্তানি সৈন্যরাও সমুচিত জবাব দিয়েছে।পাকিস্তান বাহিনী জানায়, ভোররাত ২.৩০ থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত গুলিবর্ষণ চলে।
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ- উরি সেনা ঘাঁটিতে হামলার পর টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশেই।  তারই ধারাবাহিকতায় আজ (বৃহস্পতিবার) ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে ভারতীয় সেনাদের সাথে গোলাগুলি হয় পাকিস্তানি সেনাদের।।এ ঘটনায় ২ জন পাক সেনা নিহত হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ভিমবার, হট স্প্রিং, কেল ও লিপা সেক্টরে বৃহস্পতিবার ভোরে ৬ ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ ঘটায়। দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেই এ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটল। বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরকে ভারত-পাকিস্তান উভয়ই নিজেদের ভূমি হিসেবে দাবি করে থাকে। এ নিয়েই চলে আসছে এ দু’দেশের সীমান্ত বিরোধ।সূত্র : দি নিউজ 

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

মাগুরায় ‘বৃদ্ধ’ শিশুর জন্ম

মাগুরায় ‘বৃদ্ধ’ শিশুর জন্ম

মাগুরায় অস্বাভাবিক এক শিশুর জন্ম হয়েছে। আজ  রোববার দুপুর সোয়া ৩টার দিকে মাগুরা কাউন্সিলপাড়ার জাহান প্রাইভেট হাসপাতালে ওই ছেলে শিশুটির জন্ম হয়। শিশুটির জন্মের পর ‘বৃদ্ধ’ শিশুর জন্ম হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালের সামনে ভিড় জমায় সাধারণ মানুষ।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, শিশুটির মাথা থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত বড় বড় পশমে ঢাকা। মুখের আকৃতি অনেকটা বৃদ্ধ মানুষের মতো। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।
শিশুটির বাবা বিশ্বজিৎ কুমার পাত্র জানান, মাগুরা শালিখা উপজেলার ভুলবাড়ীয়া গ্রামে তাঁদের বাড়ি। আজ দুপুরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর স্ত্রী পারুল পাত্রের ছেলে সন্তানের জন্ম হয়েছে। শিশুটি তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে অর্পণ।
জাহান ক্লিনিকের ম্যানেজার মো. শফিকুল মোল্লা জানান, দুপুরে ডা. মাকসুদুল হক প্রসূতি পারুল পাত্রের পেট থেকে সিজারের মাধ্যমে অস্বাভাবিক চেহারার এই ছেলে শিশুটিকে বের করেন। চেহারায় অস্বাভাবিকতার পরও শিশুটি জন্মের পর স্বাভাবিক ছিল বলে জানান তিনি।
এদিকে মাগুরা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত কুমার কুন্ডু জানান, জীনগত কারণে শিশুটির এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। বড় হতে হতে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে বলে আশা করছি।

বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ।

রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ।

রাজধানীসহ সারাদেশে ৬।৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ।  আজ বিকাল ০৪ টা ৪৫ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

প্রাথমিকভাবে অনেকে ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.২ বলে জানিয়েছে। তবে এই সম্পর্কে এখনো আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কোন সঠিক সংবাদ পাওয়া যায়নি। ফেসবুক পেজে সাথে সাথেই ভুমিকম্পন সম্পর্কে সবার কাছে জানতে চাওয়া হলে তাতক্ষনিক ভাবে পাঠকের মন্তব্যে জানা গেছে  ধরনের ক্ষতিক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬

রাত ১০টায় নতুন করে আগুন লাগে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে।

রাত ১০টায় নতুন করে আগুন লাগে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ছয়তলার পেছনের দিকে রোববার রাতে নতুন করে আগুন লাগে। ছবি : শেখ ফয়সাল আহমেদ
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে রাতের বেলা আবার আগুন লেগেছে। আজ রোববার দিনভর আগুন জ্বলার পর রাত পৌনে ৯টার দিকে ‘মোটামুটি’ নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানানো হয়। পরে ১০টায় নতুন করে আগুন লাগে ওই ভবনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাত ১০টার দিকে ভবনের ছয়তলার পেছনের দিকে আগুন দেখা যায়। পরে ওই আগুন ছড়িয়ে পড়তেও দেখা যায়। তবে ওই সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছিলেন না। কেননা আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে, কর্মীরা ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
বেলা ১১টায় ওই্ ভবনে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। ছয় তলায় প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয় আগুন এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ ওই তথ্য জানিয়েছিলেন।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে আবারও অগ্নিকাণ্ড

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে আবারও অগ্নিকাণ্ড

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে আবারও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার সকালে রাজধানীর অন্যতম বৃহত্তম এই শপিংমলে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ৬ তলায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায় নি।
বসুন্ধরা সিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ৬ তলার সি ব্লকের ৭০ নম্বর জুতার দোকানের ইলেকট্রিক সর্ট সার্টিক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন অল্পসময়ের মধ্যে পাশের কিছু দোকান ও পুরো ৬ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ধোয়া উপরে না উঠে নিচের ফ্লোরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে।
অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কোনো মন্তব্য করেননি। বসুন্ধরা সিটির আশেপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এরআগে ২০০৯ সালে বসুন্ধরা সিটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিলো। ওই অগ্নিকাণ্ডে ৭ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হয়েছিল।
বসুন্ধরা সিটি বসুন্ধরা গ্রুপের তৈরি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শপিং মল। ওখানে অন্তত ২০০০ দোকানসহ সিনেমা কমপ্লেক্স, মিনি গেম জোন, কয়েকটি বিশাল হল ও অফিস রয়েছে।

রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬

 মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন ।

মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন ।

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহারের নির্দেশে এ পরিবর্তন করা হয়েছে। নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী রকিবউদ্দিনকে সরিয়ে নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. কামরুজ্জামানকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (জনসংযোগ) আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মামলার তদন্তকে আরও গতিশীল করতে পুলি​শ কমিশনারের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে।
৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম। হত্যাকারীরা মোটরসাইকেলে এসেছিল। ঘটনার পর পুলিশ জানায়, জঙ্গি দমনে বাবুল আক্তারের সাহসী ভূমিকা ছিল। এ কারণে জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে খুন করে থাকতে পারে। এ ঘটনায় পরদিন বাবুল আক্তার অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন।
এ ঘটনায় গতকাল সকালে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শীতলঝর্ণা এলাকা থেকে শাহজামান ওরফে রবিন (২৮) নামের এক যুবককে আটক করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি ঘটনার মূল হোতা হতে পারেন বলে পুলিশ ধারণা করছে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আবু নছর ওরফে গুন্নু নামে শিবিরের সাবেক এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়া ওই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা গাড়িটি জব্দ ও এর চালককে আটক করে পুলিশ। তবে চালক জানে আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬

এস পি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু ৪০ মিনিট আগে বের হওয়ার রহস্য খুজছেন ডিবি, সিএমপি পুলিশ?

এস পি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু ৪০ মিনিট আগে বের হওয়ার রহস্য খুজছেন ডিবি, সিএমপি পুলিশ?

দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বাসা থেকে বের হতেন সকাল ৭টায়। কিন্তু ঘটনার দিন তিনি কেন ৪০ মিনিট আগে বেরিয়ে ৬টা ২০ মিনিটে স্বল্প দূরত্বের জিইসি মোড়ের উদ্দেশ্যে রওনা করলেন তার জবাব খুঁজছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের সন্তান মাহিকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যেত কনস্টেবল সাদ্দাম। যেদিন মিতুকে হত্যা করা হয় সেদিন সে বাড়িতে আসেনি। আর পুরো এই বিষয়টি আগে থেকে জানতো সন্ত্রাসীরা। নগর গোয়েন্দা পুলিশ বাসা থেকে সন্তানকে নিয়ে মিতুর আগে বের হওয়া ও ওই দিন পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দামের না আসার বিষয়টি তলিয়ে দেখছে। অনেকটা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই দুটি বিষয় আগেভাগে জানার কারণেই খুনের ছক কষে সাহসী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে হত্যা করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ৩ সন্ত্রাসী। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, মিতু ৪০ মিনিট আগে কেন বের হলো তা রহস্যজনক। কারণ তার বাসা থেকে জিইসি মোড়ের দূরত্ব ১০০ গজ। সেখানে তিনি কেন নির্ধারিত সময়ের এত আগে বের হবেন তা একটু খটকা লাগছে। তা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য তার সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যেতেন তাও নজর রাখছিল দুর্বৃত্তরা। মাইক্রোবাসে কারা ছিল? হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সেখানে পালিয়ে যাওয়া বহনকারী সন্ত্রাসীদের মোটরসাইকেলটির পেছন আরেকটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাস চলে যায়। মোটরসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় গভীর রাতে উদ্ধার করা গেলেও এর চালককে এখনো আটক করা যায়নি। তবে মাইক্রোবাসটি শনাক্তের পর ধরা পড়েছে এর চালক জানে আলম। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে গাড়িতে বসে ঘটনার দিন খুন হওয়ার দৃশ্য খুব কাছ থেকে দেখেছে। তবে ওই মাইক্রোবাসে আর কারা কারা ছিল তা পুলিশকে জানানোর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এখনি তাদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করতে রাজি নন বলে জানান অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা ঠিক হবে না। তবে আমরা অনেক ক্লু পেয়ে যাচ্ছি। আশা করছি সন্ত্রাসীরা ধরা পড়ে যাবে। প্রাথমিক ভাবে জানে আলম ওই দিন সকালে হত্যাকাণ্ডের সময় গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল দিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন। আবু নসর গুন্নু কে? পুলিশ কমিশনার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া আবু নাসের গুন্নু নামের ব্যক্তিকে নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তার মোবাইল ট্র্যাক চেক করে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ তাকে শিবির নেতা বলে গ্রেপ্তার করে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তার পরিবার। বলেছে, সে পারিবারিক একটি মাজারের বিরোধের শিকার হয়ে এই রোষানলে পড়েছে। একটি চক্র তাকে ফাঁসাতে নাম ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, নসর এক সময় শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সে ফিরে এসেছে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবু নসর গুন্নুকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে গ্রেপ্তারে পর্যাপ্ত কাগজপত্র আদালতে দেখাতে না পারায় আগামী রোববার পর্যন্ত রিমান্ড শুনানি স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে গতকাল বিকালে নসরকে নিরীহ দাবি করে দরবারে মুসাবিয়ার একটি পক্ষ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার মুক্তি দাবি করেছে। সূত্র-এমটি নিউজ।