রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

বলিউড সুপার ষ্টার সালমান অবশেষে বিয়ে করলেন ।

বলিউড সুপার ষ্টার সালমান অবশেষে বিয়ে করলেন ।

বলিউডে সুপার ব্যাচেলর হিসেবে খ্যাত অভিনেতা সালমান খান। তার জীবনে প্রেম নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। বহু বলিউড নায়িকাদের সঙ্গে প্রেমোময় সম্পর্কে জরিয়ে ছিলেন সালমান। কিন্তু এখন পূর্যন্ত বিয়ে মুকুট তার মাথায় সোভা পায়নি। বিভিন্ন মহল থেকে খানকে প্রশ্ন করা হয় বিয়ে করছেন কবে? এখন এই প্রশ্নে ক্লান্ত সালমান নিজেই। তাই এবার হয়ত বিয়ের ব্যাপারে একটু সিরিয়াস হলেন তিনি এবং প্রেমের ব্যাপারেও। তবে এই প্রেমটাও কি গড়াবে বিয়ে পর্যন্ত? বলিউডের চির প্রেমিক সালমন খান। ঐশ্বরীয়া থেকে ক্যাটরিনা কাইফ। কারো সাথেই প্রেমের সম্পর্ক টিকে নেই। এছড়া, ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া থেকে ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া। সব এক্সপিরিয়েন্সই করেছেন সাল্লু ভাই। এবার সালমানের লভ লাইফে নিউ এন্ট্রি লুয়িয়া ভেন্টুর। বোন অর্পিতার বিয়ে থেকেই যিনি এন্ট্রি নিয়েছেন খান পরিবারেও। খানদেরও খাস পছন্দ এই রোমানিয়ান সুন্দরী। এমনকি প্রেম রতন ধন পায়োর সেটে দিনের পর দিন সালমানের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে লুইয়াকে। প্রেমের ব্যাপারে খামখেয়ালি সালমানও এখন কিছুটা সিরিয়াস। বিগ বসের সেটে জানিয়েছেন এবার বিয়ের ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা করবেন। পঞ্চাশের এই যুবার মনেও কি তাহলে লুইয়া? জল্পনাটা জিইয়ে রাখলেন সালমান নিজেই।
পাকিস্তানের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ

পাকিস্তানের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ

মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে ভূমি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন-৩ শুক্রবার উৎক্ষেপণ করল পাকিস্তান। প্রায় ২৭৫০ কিমি দূরত্বের মধ্যে পরমাণু এবং অন্যান্য অস্ত্র বহনে সক্ষম এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। পাকিস্তান সেনার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের নানা নকশা ও টেকনিকাল মানদণ্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতেই পরীক্ষামূলকভাবে সেটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)-এর বিবৃতিটিতে বলা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যাবতীয় প্রত্যাশিত মাপকাঠি পূরণ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে আরব সাগরে। উৎক্ষেপণ পর্বটি পর্যবেক্ষণ করেন পাকিস্তানের সামরিক কৌশল নির্ধারণকারী নানা সংস্থার শীর্ষ কর্তারা, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা। স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানস ডিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাজহার জামিল বলেছেন, এই উৎক্ষেপণের ফলে দেশের সামরিক প্রতিরোধী ক্ষমতা জোরদার করায় একটা বড় মাইলস্টোন ছুঁল পাকিস্তান। তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান এই উপমহাদেশে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায় আর পরমাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা হাতে থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে। ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের জন্য সামরিক বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেন। প্রসঙ্গত, গত বছরই শাহিন-১ ও শাহিন-২ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তান। 

Hasina launches Padma bridge river training works at Shariatpur’s Jajira

Hasina launches Padma bridge river training works at Shariatpur’s Jajira


শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫

ফেসবুক চলবে ইন্টারনেট ছাড়া !

ফেসবুক চলবে ইন্টারনেট ছাড়া !

বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক এবার ইন্টারনেট ছাড়াই চালানোর সুযোগ। এ জন্য বিশেষ ‘অফলাইন মোড’ চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।
অর্থাৎ ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে বা ডাটা শেষ হয়ে গেলেও ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। এতে নিউজ ফিডে ঢোকার পাশাপাশি বন্ধুদের স্ট্যাটাসে মন্তব্যও করা যাবে। পরে ইন্টারনেট সংযোগ এলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোস্টটি পাবলিশ হয়ে যাবে।
শুক্রবার রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, কম গতির ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে নিউজ ফিড আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে ফেসবুক।
এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে বা যেখানে ইন্টারনেটে গতি কম সেখানে ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ব্যবহারের সুযোগ দিতেই অফলাইন সেবা চালুর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নিউজ ফিড বা হোম পেইজের সঙ্গে ব্যবহারকারীদের যোগাযোগ বাড়াতে সেবাটি চালু করা হচ্ছে।
এ ছাড়া অল্প সময়ের মধ্যেই অফলাইনে নিউজ ফিড ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় পদ্মা, আজ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় পদ্মা, আজ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলছিল স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষা কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলে বিলম্বিত হতে থাকে বারবার। নতুন উদ্যোগও থমকে দাঁড়ায় বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে দ্বন্দ্বে। তবে সব বাধা পেরিয়ে পদ্মার বুকে বহু মানুষের স্বপ্নের সেতুর মূল কাঠামো নির্মান কাজ শুরু হচ্ছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য পদ্মার দুই পাড়ে সাজ সাজ রব। উৎসবের আমেজ বইছে রাজপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত। আজই (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর নির্মাণ ও নদী শাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই সেতু দিয়ে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দেশের দক্ষিণ জনপদের ১৯ জেলা। সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনও চলবে।
প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এরইমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রায় ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে।
এতোদিন টেস্ট পাইলিং চললেও শনিবার শুরু হবে মূল পাইলিং। এজন্য নদীতে জড়ো করা হয়েছে বিশাল বিশাল ক্রেন, ড্রেজার।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাওয়ায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার বিল্পব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন। পুরো এলাকার নিরাপত্তায় ১৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ঠিক সকাল ১০টায় মূল সেতুর কাজ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫

মানবাধিকার নামে, কাজে না।

মানবাধিকার নামে, কাজে না।

আজ ১০ ডিসেম্বর, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হয়েছিল। দিবসটি সব জাতির, সব মানুষের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ মানদণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় বলে পশ্চিমাদের দাবি। আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বের খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণীর দেশে বাস করি তাদের কাছে এই বিশ্ব মানবাধিকারের সঙ্গায়ন যেটা পশ্চিমাদের করা এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন এক দৃষ্টিতে দেখতে পারিনা কিংবা সেটা দেখাও উচিত নয় আমাদের জন্য। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ” আমাদের স্বাধীনতা- আমাদের অধিকার চিরন্তন”। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা অর্থাৎ সারা বিশ্বের প্রতিটি নাগরিক কি আজ স্বাধীন? দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের যে অধিকারের কথা বলা হচ্ছে সেটা কি চিরন্তন হয়েছে নাকি আরো আটকে গেছে?বর্তমান বিশ্বে মানবাধিকারের চিত্র যদি আমরা একটু দেখি তাহলে বুঝতে পারি আসলে মানবাধিকারের ব্যবসায়ীরা বিগত সাতষট্টি বছর ধরেই কেমন যেন মানবাধিকারের নামে একধরনের ছলনা করে চলেছেন।মানবাধিকার বলতে আমরা বুঝি মানবের অধিকার যেখানে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সবার মানবীয় অধিকার নিশ্চিত হবে এবং যে অধিকার বাস্তবায়নে বিশ্বসম্প্রদায় একযোগে কাজ করবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সে আশা আমাদের পূরণ হয়নি। বর্তমান বিশ্বে আজকে যারা মানবাধিকারের ঢোল পেটান সুযোগ পেলেই তারাই আবার কুৎসিতভাবে মানবাধিকারের গলা টিপে ধরেন।আজকের সিরিয়ায় লাখ, লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে ,হাজারো মানুষ সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন এখনও দিচ্ছেন এর জন্য কারা দায়ী ? যারাই আজ মানবাধিকারের ঢোল পেটাচ্ছেন তারাই এর জন্য দায়ী, আই এস সৃষ্টি যারা করেছেন ঠিক তারাই তালেবান সৃষ্টি করেছিলেন এভাবেই তারা মধ্যপ্রাচ্যকে আজীবনের জন্য অস্থির করে রেখেছেন উদ্দেশ্য একটাই সেখানে ইহুদি রাষ্ট্র নামের যে ক্যান্সারটি আছে, সেটা আরো বড় করা। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত সেটা হয়েও যাবে।সুতরাং মানবাধিকার দিবস যদি শুধু পালনের জন্যই এসে থাকে, সেখানে যদি প্রকৃত মানবাধিকার বাস্তবায়নের তাড়া যদি কারো ভিতরে না থেকে থাকে এবং তাতে যদি কারো কিছু করার না থাকে তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই। বর্তমান বিশ্বে নাকি ইউরোপিয়ানদের চেয়ে বেশি মানবতাবাদী আর কোন জাতি নেই, তারা রক্ত দেখলে ভয় পায় তাই ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশ একসাথে এই অঞ্চলে আগামীতে মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে গরু জবেহ করা নিষিদ্ধ করতে চাইছে , একসাথে হাজারো গরু জবাই করলে প্রচুর রক্তপাত ঘটে তাতে মানুষ ভয় পায় সুতরাং এই রক্তারক্তি বন্ধ করতে হবে। অথচ অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমরা লক্ষ্য করেছি বিগত শতাব্দীতে কিংবা শতাব্দীতে মার্কিন আগ্রাসনে ইরাক,আফগানে, সিরিয়া কিংবা লিবিয়ায় যত মানুষ মরেছে যত একপেশে যুদ্ধ হয়েছে তার সবখানেই ইউরোপিয়ানদের প্রচ্ছন্ন মদদ ছিলো তারা এসব যুদ্ধের মোট ব্যয়ের প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বহন করেছে । তাহলে কি আজ এটিই প্রমাণিত যে ইউরোপিয়ানদের কিংবা পশ্চিমাদের নিকট মানুষের রক্তের চেয়ে গরুর রক্তের মূল্য অনেক, অনেক বেশি। অতএব মানবাধিকার নিয়ে আজ শুধু নিজের মত করে চিল্লালেই হবেনা,পশ্চিমা বিশ্বকে বিশ্ববাসীর সবার সমান অধিকার দিয়ে তারপর মারবাধিকারের জয়গান গাইতে হবে,তাহলেই মানবাধিকারের প্রকৃত জয়গান গাওয়া হবে। 

ঝলসে গেলো বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের শরীর!

ঝলসে গেলো বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের শরীর!

প্রেসার কুকার বিস্ফোরণে বুক, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ জলসে গেছে আলোচিত এবং সমালোচিত প্রগতিশীল লেখক তসলিমা নাসরিনের।
বুধবার সন্ধায় নারীবাদি এই লেখক তার  ফেসবুকে স্ট্যাটাসে ছবিসহ তার আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন।ফেসবুক স্ট্যাটাটে তসলিমা নাসরিন তার আহত হওয়ার ছবিগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘না এগুলো চুম্বনের দাগ নয়, এগুলো প্রেসার কুকার বিস্ফোরনের দাগ।’ 
তসলিমা বলেন, প্রেসার কুকার এক্সিডেন্ট। ডাল রাঁধতে গিয়ে এই হয়েছে. গায়ের জোরে খুলতে চেয়েছিলাম ঢাকনা। গরম ডাল বোমার মতো ছিটকে এসে বুকে মুখে পেটে হাতে পড়ল. সিলভার এক্স লাগাচ্ছি. জ্বলন প্রচন্ড. দোজখের আগুন যে কী করে সইব বুঝতে পারছি না।তার স্ট্যাটাস এবং ছবিগুলো দেশে তার শুভাকঙ্খীরা সমবেদনা জানিয়েছেন, সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রগতিবাদি বিভিন্ন লেখার কারণে তসলিমা নাসরিনকে বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে হয়। বর্তমানে তিনি ভারতে রয়েছেন।

ফেসবুক খুলে দেয়া হয়েছে

ফেসবুক খুলে দেয়া হয়েছে

অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক খুলে দেয়া হলো তিন সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে মাধ্যমটি খুলে দেওয়া হয় বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। এনটিভি অনলাইন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বরাত দিয়ে বলে, ফেসবুক খোলার সরকারি নির্দেশনা এসেছে। তাই ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ভাইবার, হোয়াটঅ্যাপসসহ অন্য অ্যাপসগুলো পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অ্যাপ্লিকেশনগুলো (অ্যাপস)। সেদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় এসব সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
ওই দিন সকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রায় ঘোষণার পর পরই দেশে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রায় সোয়া ঘণ্টা বন্ধ থাকে সারা দেশের ইন্টারনেট সংযোগও।
গত ৩ ডিসেম্বর ফেসবুকসহ বন্ধ থাকা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুলে দেওয়ার দাবিতে রাস্তায় নামেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’র ব্যানারে মানববন্ধন করে জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী সব আইন বাতিল করার দাবি জানান।

এদিকে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের বরাত দিয়ে প্রথম আলো অনলাইন জানায় বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে ফেসবুক খোলার কথা নিশ্চিত করেন প্রতিমন্ত্রী। জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুক খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য এখনো ডেস্কটপ ও কিছু মোবাইল ডিভাইস থেকে ফেসবুক দেখা যাচ্ছে না।
ফেসবুক খোলা প্রসঙ্গে জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুক খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। দেশের তরুণদের কথা মাথায় রেখে তিনি ফেসবুক খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। দেশের তরুণের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) ফ্রিল্যান্সিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণেরা ফেসবুক না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখে ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক খুলে দেওয়া হলেও সরকারের বন্ধ করা অন্যান্য অ্যাপস এখনো চালু হয়নি।
জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুকভিত্তিক অপরাধ কার্যক্রমের বিষয়টি ভবিষ্যতে সতর্কতার সঙ্গে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়াও ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

ফরিদপুরে উভচর বোট অ্যান্ড কার;

ফরিদপুরে উভচর বোট অ্যান্ড কার;

অভাবে ৪ বছর পরেও আলোর মুখ দেখলোনা ফরিদপুরের হাবিবুর রহমান ইমরানের উভচর বোট অ্যান্ড কার; খবরটা জেনেছিলাম ২০১০ সালের ডিসম্বেররের দিকে, সংবাদের শিরোনাম ছিলো,”ফরিদপুরেরহাবিবুর রহমানের আবিস্কার উভয়চর গাড়ি”। তার গাড়ি আবিস্কারের প্রায় চার বছর অতিবাহিত হবার পরেও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাংলাদেশের তরুন ও মেধাবী মানুষের অনেক গৌরবোজ্জল আবিস্কারের মতো এই উভয়চর গাড়িতে চড়ার শখও রেয়ে গেল স্বপ্ন হয়ে।ফরিদপুরের শিবরামপুর এলাকার দরিদ্র শেখ হাসমত আলীর পুত্র স্বল্প শিক্ষিত দরিদ্র হাবিবুর রহমান ইমরান বিগত ৮ বছর আগে এমন একটি গাড়ি তৈরি করেছেন যা একই সঙ্গে যেমনি চলতে পারবে স্থলে তেমনি চলবে পানিতেও। ইমরানের ইচ্ছা দেশের বেকার যুবকদের কাজে লাগানোর মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করা। দেশের অন্যতম সমস্যা বিদ্যুৎ ঘাটতির এ দেশে এক মিনিটের বেশি বিদ্যুৎ যাতে না যায় সে জন্য নতুন আবিষ্কারে মনোযোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। দরিদ্র ইমরানের এসব কাজে উৎসাহ দিচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের গাড়ি চালক আবুল কালাম মোল্লা।
শুধু গাড়ি আবিষ্কারই নয়, তিনি তৈরি করেছেন বিদ্যুৎ ছাড়া হস্তচালিত পাম্প, ডিম ফুটানো মেশিন ও রিমোট কন্ট্রোল বেবি কার। হাবিবুর রহমান ইমরানের ইচ্ছার গল্প যেন কল্পনাকেও হার মানিয়ে ছিলো। প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনেছিল দারিদ্র্য ও শিক্ষা। স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো ইমরান বেশকিছু আবিষ্কার করে প্রকৌশলীদেরও যেন হার মানিয়েছেন। ৩৭ বছর বয়সী ইমরান ব্যবসা করতেন ফার্নিচারের। প্রায় ৭ বছর আগে অসুস্থতার কারণে ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। কাজ পাগল ইমরানের যখন সময় কাটতে চাইত না তখন তার মাথায় আজব সব বুদ্ধি খেলতে থাকে। প্রথমে তৈরি করেন ব্যাটারিচালিত বেবি কার। সে সময় আমেরিকার একটি কোম্পানি ব্র্যাকের সহযোগিতায় তার বেবি কার নিতে চায়।
প্রাথমিকভাবে ৩০টির অর্ডারও দেয়। কিন্তু টাকার অভাবে গাড়ি বানাতে পারেনি ইমরান। এরপর ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক তৈরি করেন। সেটিও রাস্তায় নামাতে পারেননি পুঁজির অভাবে। এরপর একে একে হস্তচালিত পাম্প ও বিদ্যুৎ ছাড়া ডিম ফুটানো মেশিন আবিষ্কার করেন। এ মেশিন থেকে প্রতিদিন শত শত মুরগির ডিম ফুটানো হচ্ছে। নিজের ছোট্ট বাড়িটিতে গড়ে তুলেছেন মুরগির ফার্ম। তখন ইমরান স্বপ্ন দেখেন একটি গাড়ি নির্মাণের। যে গাড়িটি চলবে রাস্তায় ও পানিতে। যে চিন্তা সেই কাজ। নেমে পড়লেন স্বপ্নের গাড়ি বানানোর চেষ্টায়। ১ বছরের পরিশ্রম ও ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা খরচের পর ইমরান গাড়ি বানাতে সক্ষম হয়েছেন। নাম দিয়েছেন বোট অ্যান্ড কার।গাড়িটিতে ১৫ জন যাত্রী বসতে পারে। সামনের দিকটা বিমানের আদলে তৈরি। গাড়িটিতে রয়েছে টিভি-সিডি। শ্যালো মেশিনের ইঞ্জিন দিয়ে গাড়িটি বানানো হলেও আধুনিক ইঞ্জিন লাগাতে পারলে আরও যাত্রী বহন সম্ভব হবে। এ ছাড়াও গাড়িটিতে স্থাপন করা হয়েছে মাছ ধরার যন্ত্র। পানিতে চলার সময় অটোমেটিকভাবে মাছ তুলে আনতে পারবে। দৈব দূর্বিপাকে পানিতে চলার সময় গাড়িটি ঢেউয়ের কারণে তলিয়ে গেলে রিমোর্ট
কন্ট্রোলের সাহায্যে ১ মিনিটের মধ্যে শনাক্ত এবং টেনে তোলা যাবে।

দরিদ্র ও মেধাবি হাবিবুর রহমানের আসা ছিলো সরকারি কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানের সাহায্য পেলে আরও আধুনিক মানের গাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হবেন তিনি। ইমরানের গাড়িটি ২০১১সালে রাস্তায় নামবে বলে শোনা গেলেও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে দু বছর পরেও আলোর মুখ দেখলোনা ফরিদপুরের হাবিবুর রহমান ইমরানের বোট অ্যান্ড কার। এভাবেই আমাদের প্রতিভাগুলো আস্তে আস্তে হারিয়ে যায় , আমরা কিছুই করতে পারিনা। আমরা তাদের প্রাপ্য সম্মান তো দিতেই পারিনা উল্টা তারা হাসির পাত্রে পরিণত হয় যা অন্যদের যারা হয়ত এগিয়ে আসত এমন কাজে তারাও অনুৎসাহিত হয়ে ভাবে কি হবে এসব করে??? আর কতকাল এভাবে অভাগা জাতি হয়ে থাকব আমরা যারা প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে আছে .।

ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের জীবন

ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের জীবন

সাগরে মানব পাচারকারীদের অত্যাচার সহ্য করে, দীর্ঘদিন অনাহারে, অর্ধাহারে থেকে, অবশেষে ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছেন তাঁরা৷ আচেহ রাজ্যে পৌঁছানো রোহিঙ্গা এবং দরিদ্র বাংলাদেশিদের জীবন কীভাবে কাটছে সেখানে? দেখুন ছবিঘরে...
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলেছে, মে মাসে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রায় পাঁচ হাজার নাগরিককে সাগরে ভাসমান জাহাজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে৷