বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫

অবশেষে বিপিএল এর শিরোপা জিতে নিল কুমিল্লা

অবশেষে বিপিএল এর শিরোপা জিতে নিল কুমিল্লা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম দুই আসরের শিরোপা মাশরাফি বিন মর্তুজার হাতে উঠছিল। তৃতীয় শিরোপা জয় করে হ্যাটট্রিক করতে চেয়েছিলেন মাশরাফি। মঙ্গলবার বরিশাল বুলসকে তিন উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জয় করে মাশরাফির কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সেই সুবাদে তিনি হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করলেন।
আগে ব্যাটিং করে বরিশাল বুলস সাত উইকেটে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে শেষ বলে নাটকীয় জয় তুলে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ২৮ বলে ৩৯ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলের জয় শেষ বলে নিশ্চিত করেন অলোক কাপালি। অবশ্য শুরুতে ৩৭ বলে ৫৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন ইমরুল।
২০১২ সালের ফাইনাল
প্রথম বিপিএলের ফাইনালে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটসর প্রতিপক্ষ বরিশাল বার্নাসকে আট উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জয় করে। আগে ব্যাটিং করে বরিশাল সাত উইকেটে ১৪০ রান জমা করে। জবাবে ২৬ বল ও আট উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে মাশরাফির ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস। সেবার মাশরাফির জয়ের নায়ক ছিলেন পাকিস্তানের ইমরান নাজির। ৪৩ বলে ছয় চার ও ছয় ছক্কায় ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন নাজির।

২০১৩ সালের ফাইনাল
২০১৩ সালের বিপিএলের ফাইনালে মাশরাফির ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের প্রতিপক্ষ চিটাগং কিংস। প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক হিসেবে মাহমুদউল্লাহ ছিলেন চিটাগং কিংসে। কিন্তু মাশরাফির কাছে হার মানতেই হয় তাকে। আগে ব্যাটিং করে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস নয় উইকেটে ১৭২ রান তুলে নেয়। দলের হয়ে এনামুল হক বিজয় করেন ৫৮ রান। সাকিব আল হাসান করেছিলেন ৪১ রান। বড় পুঁজি পেয়ে ঢাকা ছিল বেশ লড়াকু। চিটাগংকে ১৬.৫ ওভারেই অলআউট করে দেয় ঢাকা। আলফেনসো থমাস ও মোশারফ হোসেন রুবেল তিনটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন মোশাররফ হোসেন রুবেল।
প্রসঙ্গত, বিপিএলের প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের হয়ে খেলা মাশরাফি ২১ ম্যাচে দলকে ১৬ জয়ের স্বাদ দিয়েছিলেন।

সূত্র : বাংলাদেশের খেলা


বিজয়ের সাজে সেজেছে রাজধানী ঢাকা মহানগরী ।

বিজয়ের সাজে সেজেছে রাজধানী ঢাকা মহানগরী ।

বিজয়ের সাজে সেজেছে রাজধানী ঢাকা মহানগরী । মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সড়ক, সড়ক দ্বীপ ও ভবনে শোভা পাচ্ছে বর্ণিল আলোকসজ্জা। আলোকসজ্জায় সজ্জিত নগরী । সন্ধ্যার পর রং বেরংয়ের আলোকচ্ছটায় ঝলমলিয়ে ওঠে  নগরীর বিভিন্ন এলাকাগুলো। আলো দিয়ে তৈরি করা হয় প্রিয় লাল-সবুজ পতাকা। মনকাড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ নগরবাসী ।






মাদককে না বলুন । আপনার সন্তান, ভাই এর গতিবিধি লক্ষ্য করুন । দেশের অন্যতম সম্পদ যুবসমাজকে মাদকাসক্তের মত ধংসের পথ হতে রক্ষা করুন !!

মাদককে না বলুন । আপনার সন্তান, ভাই এর গতিবিধি লক্ষ্য করুন । দেশের অন্যতম সম্পদ যুবসমাজকে মাদকাসক্তের মত ধংসের পথ হতে রক্ষা করুন !!

ঢাকা দক্ষিনের সাবেক ৫৮ এর সুযোগ্য চেয়ারম্যান জনাব মরহুম হাজী হেদায়েত উল্লাহ সাহেবের সুযোগ্য কৃতি সন্তান বর্তমান ২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসীর নয়ন মনি জনাব তারিকুল ইসলাম সজিব ভাই এলাকার যুবসমাজ মাদকাসক্ত রোধকল্পে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে তাহার নির্বাচনী এলাকায় আধুনিকতার জোয়ারে উদ্দিগ্ন। তার আধুনিকায়নের অন্যতম পদক্ষেপ এলাকা হতে মাদক নিরমূল। এবং যুব সমাজকে মাদকাসক্তের মত ধংসের পথ হতে রোধ করা। যেটি তিনি স্থানীয় সাংসদ জনাব ফজলে নূর তাপস সাহেবের সহায়তায় ঢাকা সিটির অন্যতম মাদক আস্থানা হাজারীবাগের গনকটুলি সুইপার কলনীর মত মাদক আস্থানা হতে মাদক নিরমূল করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি তার বড় কৃতিত্ব। তাহার এই ধরনের সমাজ সেবা মূলক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপকে এলাকা বাসী সাদুবাদ জানায় । তিনি ইতিমধ্যেই দেশের অন্যতম সম্পদ যুবসমাজকে মাদকাসক্তের মত ধংসের পথ হতে ফিরিয়ে আনার যে আপ্রান চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন সেটি সত্যই প্রশংসনীয় । আপামর জনসাধারন তার নিকট আশাবাদী । বৃদ্ধ বনিতা ছোট বড় তথা এলাকাবাসী তার এই ধরনের অন্যতম সমাজসেবা মূলক কর্ম কান্ডকে সম্মানের সাথে সমার্থন সহ উৎসাহ উদ্দীপনা দিচ্ছে । বলার অবকাশ রাখে না যে তার পিতা সুযোগ্য চেয়ারম্যান জনাব মরহুম হাজী হেদায়েত উল্লাহ সাহেবও এলাকাবাসীর নয়নের মনি ছিলেন । সুখে দুখে এলাকাবাসীর পাশে দাড়াতেন । তার রাজনীতিতে যেমন ছিল বিছক্ষ্ণতা তেমনই ছিল সমাজ সেবা । তারই উত্তরসূরী হিসাবে সুযোগ্য কৃতি সন্তান প্বরগতিশীল রাজনীতিবিদ ও বর্তমান ঢাকা দক্ষিনের ২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসীর নয়ন মনি জনাব তারিকুল ইসলাম সজিব ভাই এলাকাবাসীর সুখে দুখে পাশে দাঁড়ানোই তার অন্যতম লক্ষ্য ।  দেশের অন্যতম সম্পদ যুবসমাজকে মাদকাসক্তের মত ধংসের পথ হতে রক্ষা করাই এই কিংবদন্তীর মূল লক্ষ্য । 


মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

চুল গজানোর অবিশ্বাস্য ঘরোয়া পদ্ধতি

চুল গজানোর অবিশ্বাস্য ঘরোয়া পদ্ধতি

মাথার চুল মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। কিন্তু আজকার প্রায় সব বয়সের লোকদের কমবেশি চুল পড়তে দেখা যায়। চিকিৎসকদের মতে, হরমনের পাশাপাশি প্রোটিন (আমিষ) ও ফ্যাটের (চর্বি) অভাবে মানুষের চুল পড়ে। বাড়িতে বসেই এক বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি আপনার চুলের সৌন্দর্য বাড়ান। চুলপড়া রোধ করুন। মাথায় চুল গজান। দইতে চর্বি ও উচ্চ ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে। আমিষ ও চর্বিতে পরিপূর্ণ ডিম। এত প্রোটিন অন্য খাবারে পাওয়া যায় না। এ দই ও ডিম মিশিয়ে চুল পরিচর্যার রেসিপি বানানো যায়। চুলের রুক্ষতা ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এটা। বিশেষত বাড়িতে বানানো এই রেসিপি চুল পরিষ্কার করে। শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতে বেশ কার্যকরী। এটি চুলকে প্রাণবন্ত, স্নিগ্ধতা ও কোমল করার ক্ষেত্রে কার্যকর। ঝকঝকে ও স্বাস্থ্যকর চুল পেতে এই রেসিপি মাথায় ক্যলসিয়াম ও প্রোটিন সরবরাহ করে। মধুও মাথার চুল বৃদ্ধিতে বেশ কাজে দেয়। এতে উপকারী বেশকিছু উপাদান রয়েছে- যেমন ভিটামিন-ই, কে, সি, বি১, বি২ ও বি৬। আর কলা চুলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যুদ্ধ করে। ডিম, মধু ও বিয়ারের মিশ্রণ আপনার চুল রক্ষায় অবিশ্বাস্য কাজ করে। বিয়ারে ভিটামিন-বি, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার রয়েছে, যা আপনার চুলকে শক্তিশালী ও চুল গজাতে দারুণ কাজে দেয়। যেভাবে চুলের রেসিপি বানাবেন :- একটি ডিম অথবা এর শুধুমাত্র কুসুম, একটি কলা, এক অথবা দুই কাপ ঘন বিয়ার, এক টেবিল চামচ মধু নিন। এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। এক থেকে দুই ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন। মাথা শুকানোর পর সাধারণভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাথার চুল বৃদ্ধি করতে সপ্তাহে একবার এটি ব্যবহার করা উচিত।

রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

বলিউড সুপার ষ্টার সালমান অবশেষে বিয়ে করলেন ।

বলিউড সুপার ষ্টার সালমান অবশেষে বিয়ে করলেন ।

বলিউডে সুপার ব্যাচেলর হিসেবে খ্যাত অভিনেতা সালমান খান। তার জীবনে প্রেম নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। বহু বলিউড নায়িকাদের সঙ্গে প্রেমোময় সম্পর্কে জরিয়ে ছিলেন সালমান। কিন্তু এখন পূর্যন্ত বিয়ে মুকুট তার মাথায় সোভা পায়নি। বিভিন্ন মহল থেকে খানকে প্রশ্ন করা হয় বিয়ে করছেন কবে? এখন এই প্রশ্নে ক্লান্ত সালমান নিজেই। তাই এবার হয়ত বিয়ের ব্যাপারে একটু সিরিয়াস হলেন তিনি এবং প্রেমের ব্যাপারেও। তবে এই প্রেমটাও কি গড়াবে বিয়ে পর্যন্ত? বলিউডের চির প্রেমিক সালমন খান। ঐশ্বরীয়া থেকে ক্যাটরিনা কাইফ। কারো সাথেই প্রেমের সম্পর্ক টিকে নেই। এছড়া, ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া থেকে ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া। সব এক্সপিরিয়েন্সই করেছেন সাল্লু ভাই। এবার সালমানের লভ লাইফে নিউ এন্ট্রি লুয়িয়া ভেন্টুর। বোন অর্পিতার বিয়ে থেকেই যিনি এন্ট্রি নিয়েছেন খান পরিবারেও। খানদেরও খাস পছন্দ এই রোমানিয়ান সুন্দরী। এমনকি প্রেম রতন ধন পায়োর সেটে দিনের পর দিন সালমানের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে লুইয়াকে। প্রেমের ব্যাপারে খামখেয়ালি সালমানও এখন কিছুটা সিরিয়াস। বিগ বসের সেটে জানিয়েছেন এবার বিয়ের ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা করবেন। পঞ্চাশের এই যুবার মনেও কি তাহলে লুইয়া? জল্পনাটা জিইয়ে রাখলেন সালমান নিজেই।
পাকিস্তানের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ

পাকিস্তানের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ

মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে ভূমি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন-৩ শুক্রবার উৎক্ষেপণ করল পাকিস্তান। প্রায় ২৭৫০ কিমি দূরত্বের মধ্যে পরমাণু এবং অন্যান্য অস্ত্র বহনে সক্ষম এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। পাকিস্তান সেনার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের নানা নকশা ও টেকনিকাল মানদণ্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতেই পরীক্ষামূলকভাবে সেটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)-এর বিবৃতিটিতে বলা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যাবতীয় প্রত্যাশিত মাপকাঠি পূরণ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে আরব সাগরে। উৎক্ষেপণ পর্বটি পর্যবেক্ষণ করেন পাকিস্তানের সামরিক কৌশল নির্ধারণকারী নানা সংস্থার শীর্ষ কর্তারা, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা। স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানস ডিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাজহার জামিল বলেছেন, এই উৎক্ষেপণের ফলে দেশের সামরিক প্রতিরোধী ক্ষমতা জোরদার করায় একটা বড় মাইলস্টোন ছুঁল পাকিস্তান। তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান এই উপমহাদেশে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায় আর পরমাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা হাতে থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে। ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের জন্য সামরিক বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেন। প্রসঙ্গত, গত বছরই শাহিন-১ ও শাহিন-২ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তান। 

Hasina launches Padma bridge river training works at Shariatpur’s Jajira

Hasina launches Padma bridge river training works at Shariatpur’s Jajira


শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫

ফেসবুক চলবে ইন্টারনেট ছাড়া !

ফেসবুক চলবে ইন্টারনেট ছাড়া !

বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক এবার ইন্টারনেট ছাড়াই চালানোর সুযোগ। এ জন্য বিশেষ ‘অফলাইন মোড’ চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।
অর্থাৎ ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে বা ডাটা শেষ হয়ে গেলেও ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। এতে নিউজ ফিডে ঢোকার পাশাপাশি বন্ধুদের স্ট্যাটাসে মন্তব্যও করা যাবে। পরে ইন্টারনেট সংযোগ এলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোস্টটি পাবলিশ হয়ে যাবে।
শুক্রবার রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, কম গতির ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে নিউজ ফিড আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে ফেসবুক।
এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে বা যেখানে ইন্টারনেটে গতি কম সেখানে ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ব্যবহারের সুযোগ দিতেই অফলাইন সেবা চালুর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নিউজ ফিড বা হোম পেইজের সঙ্গে ব্যবহারকারীদের যোগাযোগ বাড়াতে সেবাটি চালু করা হচ্ছে।
এ ছাড়া অল্প সময়ের মধ্যেই অফলাইনে নিউজ ফিড ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় পদ্মা, আজ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় পদ্মা, আজ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলছিল স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষা কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলে বিলম্বিত হতে থাকে বারবার। নতুন উদ্যোগও থমকে দাঁড়ায় বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে দ্বন্দ্বে। তবে সব বাধা পেরিয়ে পদ্মার বুকে বহু মানুষের স্বপ্নের সেতুর মূল কাঠামো নির্মান কাজ শুরু হচ্ছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য পদ্মার দুই পাড়ে সাজ সাজ রব। উৎসবের আমেজ বইছে রাজপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত। আজই (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর নির্মাণ ও নদী শাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই সেতু দিয়ে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দেশের দক্ষিণ জনপদের ১৯ জেলা। সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনও চলবে।
প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এরইমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রায় ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে।
এতোদিন টেস্ট পাইলিং চললেও শনিবার শুরু হবে মূল পাইলিং। এজন্য নদীতে জড়ো করা হয়েছে বিশাল বিশাল ক্রেন, ড্রেজার।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাওয়ায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার বিল্পব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন। পুরো এলাকার নিরাপত্তায় ১৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ঠিক সকাল ১০টায় মূল সেতুর কাজ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫

মানবাধিকার নামে, কাজে না।

মানবাধিকার নামে, কাজে না।

আজ ১০ ডিসেম্বর, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হয়েছিল। দিবসটি সব জাতির, সব মানুষের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ মানদণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় বলে পশ্চিমাদের দাবি। আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বের খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণীর দেশে বাস করি তাদের কাছে এই বিশ্ব মানবাধিকারের সঙ্গায়ন যেটা পশ্চিমাদের করা এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন এক দৃষ্টিতে দেখতে পারিনা কিংবা সেটা দেখাও উচিত নয় আমাদের জন্য। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ” আমাদের স্বাধীনতা- আমাদের অধিকার চিরন্তন”। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা অর্থাৎ সারা বিশ্বের প্রতিটি নাগরিক কি আজ স্বাধীন? দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের যে অধিকারের কথা বলা হচ্ছে সেটা কি চিরন্তন হয়েছে নাকি আরো আটকে গেছে?বর্তমান বিশ্বে মানবাধিকারের চিত্র যদি আমরা একটু দেখি তাহলে বুঝতে পারি আসলে মানবাধিকারের ব্যবসায়ীরা বিগত সাতষট্টি বছর ধরেই কেমন যেন মানবাধিকারের নামে একধরনের ছলনা করে চলেছেন।মানবাধিকার বলতে আমরা বুঝি মানবের অধিকার যেখানে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সবার মানবীয় অধিকার নিশ্চিত হবে এবং যে অধিকার বাস্তবায়নে বিশ্বসম্প্রদায় একযোগে কাজ করবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সে আশা আমাদের পূরণ হয়নি। বর্তমান বিশ্বে আজকে যারা মানবাধিকারের ঢোল পেটান সুযোগ পেলেই তারাই আবার কুৎসিতভাবে মানবাধিকারের গলা টিপে ধরেন।আজকের সিরিয়ায় লাখ, লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে ,হাজারো মানুষ সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন এখনও দিচ্ছেন এর জন্য কারা দায়ী ? যারাই আজ মানবাধিকারের ঢোল পেটাচ্ছেন তারাই এর জন্য দায়ী, আই এস সৃষ্টি যারা করেছেন ঠিক তারাই তালেবান সৃষ্টি করেছিলেন এভাবেই তারা মধ্যপ্রাচ্যকে আজীবনের জন্য অস্থির করে রেখেছেন উদ্দেশ্য একটাই সেখানে ইহুদি রাষ্ট্র নামের যে ক্যান্সারটি আছে, সেটা আরো বড় করা। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত সেটা হয়েও যাবে।সুতরাং মানবাধিকার দিবস যদি শুধু পালনের জন্যই এসে থাকে, সেখানে যদি প্রকৃত মানবাধিকার বাস্তবায়নের তাড়া যদি কারো ভিতরে না থেকে থাকে এবং তাতে যদি কারো কিছু করার না থাকে তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই। বর্তমান বিশ্বে নাকি ইউরোপিয়ানদের চেয়ে বেশি মানবতাবাদী আর কোন জাতি নেই, তারা রক্ত দেখলে ভয় পায় তাই ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশ একসাথে এই অঞ্চলে আগামীতে মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে গরু জবেহ করা নিষিদ্ধ করতে চাইছে , একসাথে হাজারো গরু জবাই করলে প্রচুর রক্তপাত ঘটে তাতে মানুষ ভয় পায় সুতরাং এই রক্তারক্তি বন্ধ করতে হবে। অথচ অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমরা লক্ষ্য করেছি বিগত শতাব্দীতে কিংবা শতাব্দীতে মার্কিন আগ্রাসনে ইরাক,আফগানে, সিরিয়া কিংবা লিবিয়ায় যত মানুষ মরেছে যত একপেশে যুদ্ধ হয়েছে তার সবখানেই ইউরোপিয়ানদের প্রচ্ছন্ন মদদ ছিলো তারা এসব যুদ্ধের মোট ব্যয়ের প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বহন করেছে । তাহলে কি আজ এটিই প্রমাণিত যে ইউরোপিয়ানদের কিংবা পশ্চিমাদের নিকট মানুষের রক্তের চেয়ে গরুর রক্তের মূল্য অনেক, অনেক বেশি। অতএব মানবাধিকার নিয়ে আজ শুধু নিজের মত করে চিল্লালেই হবেনা,পশ্চিমা বিশ্বকে বিশ্ববাসীর সবার সমান অধিকার দিয়ে তারপর মারবাধিকারের জয়গান গাইতে হবে,তাহলেই মানবাধিকারের প্রকৃত জয়গান গাওয়া হবে।