শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬

পরমাণু যুদ্ধের মহড়ায় ব্যস্ত রাশিয়া , আশঙ্কা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ?  সাধারণ নাগরিকদের নিজেদের বাঁচানোর পদ্ধতিও শেখানো হচ্ছে।

পরমাণু যুদ্ধের মহড়ায় ব্যস্ত রাশিয়া , আশঙ্কা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ? সাধারণ নাগরিকদের নিজেদের বাঁচানোর পদ্ধতিও শেখানো হচ্ছে।


সম্প্রতি রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। দুদেশের মধ্যে ঠান্ডাযুদ্ধ চলছেই। আর সেই পরিস্থিতিতেই রাশিয়া বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের পরমাণু অস্ত্রসম্ভার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বহর। উন্নত করা হয়েছে বম্ব শেল্টার। পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে গ্যাস মাস্ক। 
এমনকী যুদ্ধ বাঁধলে সাধারণ নাগরিকরা কী করে নিজেদের বাঁচাবেন, শেখানো হচ্ছে সে পদ্ধতিও। রাসায়নিক যুদ্ধের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না মস্কো।
এই পদক্ষেপ কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত? পরমাণু যুদ্ধের মহড়ায় ব্যস্ত দেশ। 
৪ কোটি রুশ নাকি সেই মহড়ায় অংশ নিয়েছে! সেইসঙ্গে সুপার পরমাণু অস্ত্র RS-২৮ সরম্যাটকেও এবার সামনে এনেছে মস্কো। আর এসবেই ঘনিয়ে আসছে আশঙ্কা। তবে কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন?
সেইসঙ্গে মস্কো এবার সামনে নিয়ে তাদের অস্ত্র সম্ভারের নতুন সংযোজন RS-২৮। ২০১৮ সালে এটি রুশ সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি হওয়ার কথা। 

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

 ধর্ষিত পাঁচ বছরের শিশুটির প্রজনন অঙ্গে সংক্রমণের শঙ্কা থাকায় এখনই অস্ত্রোপচারে ঢাকা হতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যাচ্ছেন না চিকিৎসকরা।

ধর্ষিত পাঁচ বছরের শিশুটির প্রজনন অঙ্গে সংক্রমণের শঙ্কা থাকায় এখনই অস্ত্রোপচারে ঢাকা হতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যাচ্ছেন না চিকিৎসকরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে উচ্চ ক্ষমতার ওষুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নয় সদস‌্যের মেডিকেল বোর্ড করে শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আশরাফ উল হক কাজল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটিকে বোর্ড দেখেছে।
“শিশুটির প্রজনন অঙ্গ ক্ষত-বিক্ষত। সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। যদি সংক্রমণ রক্তে ছড়ায়, তাহলে বিষয়টি ভয়াবহ হবে।”
শিশুটির পুষ্টির অভাব রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শিশুটিকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তার প্রজনন অঙ্গে অস্ত্রোপ্রচার করতে দেড় থেকে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।”
গত ১৮ অক্টোবর পার্বতীপুর উপজেলার সিঙ্গীমারী জমিরহাট গ্রামের ওই শিশু বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। সন্ধান না পেয়ে ওইদিন রাতে তার বাবা পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরদিন ভোরে বাড়ির পাশে একটি হলুদ ক্ষেত থেকে মেয়েটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পার্বতীপুর ল্যাম্প হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। 
গত ২০ অক্টোবর রাতে শিশুটির বাবা একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪২) ও আফজাল হোসেন কবিরাজকে (৪৮) আসামি করে পার্বতীপুর মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন।
মামলার প্রধান আসামি সাইফুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অপর আসামি পলাতক।
বুধবার গাইনি বিভাগের প্রধান ফেরদৌসি ইসলামের নেতৃত্বে এই বোর্ড করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বোর্ডের সদস্যরা হলেন- আশরাফ উল হক কাজল, আমানুর রসুল, জিল্লুর রহমান, সাদিয়া আনোয়ার, মো. আবুল কালাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. মোজাম্মেল হোসেন। সমন্বয়ক হিসেবে রয়েছেন বিলকিস বেগম।
এদিকে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের দুই সহকারী শিশুটিকে দেখতে যান।
শাকিল শিশুটির চিকিৎসার ভার সরকার নিয়েছে বলে জানান। সূত্র-নেট 

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬